পাবনার সঙ্গে রাজধানী ঢাকার রেল যোগাযোগ সহজ করা এবং যাত্রীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে শিমুল বিশ্বাসের প্রচেষ্টা ও সংশ্লিষ্ট মহলে ধারাবাহিক যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্টের কার্যালয় থেকে গত ২৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জারি করা এক পত্রে নতুন ট্রেনের নাম, সময়সূচি ও যাত্রাবিরতির সংশোধিত প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, ট্রেন দুটির নাম রাখা হয়েছে ‘পাবনা প্রভাতী এক্সপ্রেস’ ও ‘পাবনা গোধূলি এক্সপ্রেস’। ৮০৮ নম্বর ট্রেনটি পাবনা থেকে সকাল ৮টায় ছেড়ে ঈশ্বরদী হয়ে দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে, ৮০৭ নম্বর ট্রেনটি ঢাকা থেকে বিকেল ৩টা ২৫ মিনিটে ছেড়ে রাত ৯টা ২০ মিনিটে পাবনায় পৌঁছাবে।
প্রস্তাবিত সময়সূচি অনুযায়ী, ট্রেন দুটি টেবুনিয়া, দাশুড়িয়া, ঈশ্বরদী, মাঝগ্রাম, চাটমোহর, বড়ালব্রিজ, উল্লাপাড়া, শহীদ মনসুর আলী, টাঙ্গাইল, জয়দেবপুর ও ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে।
রেলওয়ের পত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন ট্রেনের সময়সূচি বাস্তবায়নের জন্য ৭৭৯ নম্বর ঢালারচর এক্সপ্রেসের ছাড়ার সময় সকাল ৬টা ৩০ মিনিট থেকে এগিয়ে সকাল ৬টা ১০ মিনিট করতে হবে। এ ছাড়া ৭৬৩ নম্বর ট্রেনের সময়সূচিও আংশিক পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে।
নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চালু হলে পাবনা সদরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষের রাজধানী ঢাকায় যাতায়াত আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানের প্রয়োজনে ঢাকায় যাতায়াতকারী যাত্রীরা এ ট্রেনের মাধ্যমে উপকৃত হবেন। পাশাপাশি পাবনার সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে ট্রেনের নাম, সময়সূচি ও যাত্রাবিরতির বিষয়ে রেলওয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন এবং উদ্বোধনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নিশ্চিত হওয়ার পরই এসব তথ্য চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।