বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
অভিযুক্ত আবু ইউসুফ পাবনা সদর উপজেলার পার্শ্ববর্তী সাদুল্লাহপুর ইউনিয়নের খালিশপুর এলাকার বাসিন্দা। মাদ্রাসায় আবাসিক ব্যবস্থা থাকায় তিনি সপরিবারে সেখানে বসবাস করতেন। ঘটনার দিন তাঁর স্ত্রী বাবার বাড়িতে যাওয়ায় তিনি মাদ্রাসায় একা ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, রাতে মাদ্রাসার এক ছাত্রী বাইরে বের হলে শিক্ষক আবু ইউসুফ তাঁকে জোর করে একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পরে ওই ছাত্রী মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করেন এবং পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
এদিকে ঘটনার পর মাদ্রাসার অন্যান্য আবাসিক শিক্ষার্থীকে তাঁদের অভিভাবকদের কাছে পাঠানো হয়। পরে বিক্ষুব্ধ লোকজন মাদ্রাসায় ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক ও ভুক্তভোগী ছাত্রী পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।
পাবনার পুলিশ সুপার (এসপি) আলী আশরাফ বলেন, “অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”