1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়াকে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা রয়েছে: রুমন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর ২৬ অক্টোবর, আলোচনায় ৮ সমঝোতা স্মারক জাপানে বর্জ্য পোড়ানোর ধোঁয়া থেকে ৯০ শতাংশের বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড সংগ্রহের প্রযুক্তি, পরীক্ষামূলক কেন্দ্র চালুর পরিকল্পনা নভেম্বরে সার সংকটের অভিযোগে ছাত্রদলের বিক্ষোভ, আ. লীগ নেতার গোডাউনে মিলল সার ভাঙ্গুড়ায় রোজিনা হত্যার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন ভাঙ্গুড়ায় সার মজুতের অভিযোগে গভীর রাতে গুদাম ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন কৃষকজনতা শিক্ষার্থীদের কাউন্সেলিংয়ে নবীজির ১০ গুণ মীরসরাইয়ে চীনা প্রতিষ্ঠান এসবিএস জিপারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বড় ভাই বেঁচে গেলেও প্রাণ হারাল ছোট ভাই

বগুড়াকে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা রয়েছে: রুমন

ডিডিএন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১ সময় দর্শন

 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারা দেশের সঙ্গে বগুড়াকেও এগিয়ে নিতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি বলেন, বগুড়ার উন্নয়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব পরিকল্পনা রয়েছে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

গতকাল বগুড়ায় আয়োজিত এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক লোটন একরাম।

আতিকুর রহমান রুমন বলেন, “তাঁর (প্রধানমন্ত্রীর) মাথায় পরিকল্পনা আছে, বগুড়ায় কী হবে। আমরা যে পরিকল্পনা, পরিকল্পনা বলি, সেই পরিকল্পনা তাঁর আছে।”

তিনি আরও বলেন, বগুড়ার প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। হাতে হাত ও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সবাইকে বগুড়ার উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

সড়ক প্রশস্তকরণ নিয়ে অতীতের অভিজ্ঞতা তুলে ধরলেন রুমন

বগুড়ার সড়ক উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, তারেক রহমান মাটিডালি থেকে বনানী পর্যন্ত সড়ক প্রশস্ত করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তখন সড়ক প্রশস্ত করতে গিয়ে অনেক দোকান ও বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় অনেকে আপত্তি জানিয়েছিলেন।

রুমন বলেন, সে সময় উদ্যোগটিকে আরও সহযোগিতা করা হলে সড়কটি আরও প্রশস্ত করার সুযোগ তৈরি হতে পারত। বর্তমানে সড়কটি ৮০ বা ১০০ ফুট প্রশস্ত করা সম্ভব কি না, সেই প্রশ্নও সামনে আসছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সারাক্ষণ বগুড়ায় থাকবেন না; তিনি সময়ে সময়ে সেখানে আসবেন। তাই বগুড়ার উন্নয়ন এগিয়ে নিতে স্থানীয় পর্যায়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বিগত ১৭ বছরে উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন

বগুড়ার গত ১৭ বছরের উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলে আতিকুর রহমান রুমন বলেন, এ সময়ে জেলাটিতে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়েছে কি না, তা নিয়ে মানুষের ভাবা প্রয়োজন। তাঁর অভিযোগ, অতীতে বগুড়ার উন্নয়ন নিয়ে নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও প্রত্যাশা অনুযায়ী অগ্রগতি হয়নি।

তিনি বলেন, বগুড়ায় বুয়েটের মতো প্রতিষ্ঠান, একটি বিশ্ববিদ্যালয়, বিভাগ প্রতিষ্ঠা কিংবা প্রশিক্ষণকেন্দ্র গড়ে তোলার দাবি নিয়ে আরও আগে জোরালো উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন ছিল।

বক্তব্যে তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপি সরকারের সময়ে তারেক রহমান ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে বগুড়ায় বিভিন্ন নামে আন্দোলন, সড়ক অবরোধ ও হরতাল করা হয়েছিল। সে সময় আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকে বর্তমানেও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রুমন বলেন, তাঁর মতে, গত ১৭ বছরে বগুড়ার উন্নয়নের পরিবর্তে অবনতি হয়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কী ধরনের উন্নয়ন প্রয়োজন, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।

আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম নিয়েও আক্ষেপ

বগুড়ার একটি আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়ামের প্রসঙ্গ তুলে আতিকুর রহমান রুমন আক্ষেপ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রয়াত আরাফাত রহমানের উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত স্টেডিয়ামটি নির্মিত হলেও পরবর্তী সময়ে সেটিকে অকার্যকর করে দেওয়া হয়।

বগুড়ার ক্রীড়া অবকাঠামো ও উন্নয়ন সম্ভাবনার প্রসঙ্গে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের আহ্বান

বক্তব্যের শেষাংশে আতিকুর রহমান রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারা দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি বগুড়াকেও এগিয়ে নিতে চান। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

বগুড়ার উন্নয়নে শিক্ষা, যোগাযোগ, ক্রীড়া অবকাঠামো, উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে। তবে এসব বিষয়ে বাস্তব অগ্রগতি নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, সরকারি সিদ্ধান্ত এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host