পাবনার ভাঙ্গুড়ায় সিএনজি- মাইক্রোবাস সংঘর্ষে হুমায়ুন কবির মুক্তা ( ৪৮ ) নামে এক কলেজ শিক্ষক নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে বুধবার সকালে বাঘাবাড়ী-টেবুনিয়া আঞ্চলিক সড়কের চাটমোহর ফায়ার সার্ভিস অফিসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় তার স্ত্রী সুচিত্রা বিশ্বাস উর্মি ও সিএনজি চালক মারাত্মক আহত হয়েছেন। নিহত মুক্তা সরকারি হাজী জামাল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও উপজেলার কলকতি এলাকার মৃত আকবর আলীর ছেলে। এঘটনায় সরকারি হাজী জামাল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক- কর্মচারীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগে আক্রান্ত ছিলেন কলেজ শিক্ষক মুক্তা। রাজশাহীতে কিডনি ডায়ালাইসিস করাতে বুধবার সকালে স্ত্রী উর্মিকে নিয়ে সিএনজি করে চাটমোহর রেলষ্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি । পথে সকাল ৮ টার দিকে চাটমোহর ফায়ার সার্ভিসের সামনে এসে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মুক্তা,তার স্ত্রী উর্মি ও সিএনজি চালক মারাত্মক আহত হন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাদেরকে উদ্ধার করে চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুক্তা মারা যান ।
এ বিষয়ে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারওয়ার হোসেন বলেন, এ ঘটনায় আজ সকালে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বাকি দু’জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মাইক্রোবাসটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে। তবে চালক পলাতক থাকায় তাকে আটক করা যায়নি।