পাবনার ভাঙ্গুড়ায় তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে শিল্প বৈদ্যুতিক মিটার চুরির ঘটনা ঘটেছে। পরে চোর চক্রের চাহিদা অনুযায়ী বিকাশে টাকা পাঠিয়ে মিলছে চুরি যাওয়া সে মিটার।
শুক্রবার রাতের কোনো এক সময় পৌর শহরের শরৎনগর বাজারের মেসার্স আলহাজ্ব ট্রেডার্স ও হিমেল ট্রেডার্স ট্রেডার্সে এই চুরির ঘটনা ঘটে। এঘটনায় আজ রবিবার দুপুরের দিকে ভুক্তভোগী গ্রাহকরা থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।
জানা গেছে, গত শুক্রবার রাতে ভাঙ্গুড়া পৌরশহরের শরৎনগর বাজার বেইলী ব্রীজের পূর্ব পাশে মেসার্স আলহাজ্ব ট্রেডার্স ও হিমেল ট্রেডার্স থেকে তিনটি শিল্প বৈদ্যুতিক মিটার চুরি হয়। মিটার ফ্রেমের ভিতরে একটি করে চিরকুট রেখে যান চোর চক্র। সেখানে লেখা ছিল চক্রের একটি বিকাশ নাম্বার (০১৮৫৭-৪৬৯৯১১)। প্রতি মিটারের জন্য ৫ হাজার টাকা দাবি করা হয়।
মেসার্স আলহাজ্ব ট্রেডার্সের মালিক শাহিনুর রহমান বলেন, রাতের কোনো এক সময় আমার দুটি শিল্প মিটার চুরি হয়। মিটার ফ্রেমে চোর চক্রের রেখে যাওয়া বিকাশ নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে চক্রের সদস্য জানান- প্রতি মিটারের জন্য ৫ হাজার টাকা দিতে হবে। পরে বাধ্য হয়ে দুটি মিটারেে জন্য ১০ হাজার টাকা বিকাশে দিলে সারুটিয়া এলাকায় মিটারগুলো রাখা আছে বলে জানায় চোর চক্রের সদস্য। পরে সেখানে গিয়ে মিটার পাওয়া যায়।
আরেক ভুক্তভোগী হিমেল বলেন, শনিবার সকালে দোকানে এসে দেখি মিটার নেই। বিষয়টি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসকে জানালে তারা থানায় অভিযোগ করতে বলে। চোরের দেওয়া নাম্বারে ৪ হাজার টাকা পাঠানোর পর নষ্ট মিটার ফেরত পাই। নতুন মিটার এবং মিটার সংযোগের জন্য ১৭ হাজার ৬৭০ টাকা বিদ্যুৎ অফিসে জমা দিতে হয়েছে।
এ বিষয়ে পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির-১ ভাঙ্গুড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সেকেন্দার আলী বলেন, মিটার চুরির বিষয়টি জানানোর পর থানায় অভিযোগ করতে বলা হয়।
এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মোস্তাফিজুর রহমান আমার দেশকে বলেন, মিটার চুরির ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।