1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গুড়ায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনাসভা আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ প্রাণহানি, জুলাইয়ের চেয়ে বেড়েছে ১৫.৬৫ শতাংশ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনা আপিলের সুযোগ পাবেন না-চিফ প্রসিকিউটর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের নির্বাহী পরিষদের মতবিনিময় চাটমোহরে কোনো বহিরাগতকে মেনে নেওয়া হবে না : এমপি রুমা আন্দোলনে দণ্ডপ্রাপ্ত এনবিআরের ২০ কর্মকর্তার শাস্তি মওকুফ দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ঈশ্বরদীতে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেললে ছাড় দেওয়া হবে না- ডাক বিভাগের রেকর্ড : ২ মাসে পণ্য পরিবহন ৪০০ টন

স্মৃতির পাতায় ধানের গোলা

নিজস্ব প্রতিবেদক :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১ মে, ২০২১
  • ১০১৮ সময় দর্শন
গ্রাম অঞ্চলে বাড়িতে বাড়িতে বাঁশ দিয়ে গোল আকৃতির তৈরি করা ধানের গোলা বসানো হতো উঁচুতে। গোলার মাথায় থাকত টিনের বা খরের তৈরি পিরামিড আকৃতির টাওয়ারের মতো, যা দেখা যেত অনেক দূর থেকে। গোলা নির্মাণ করার জন্য বিভিন্ন এলাকায় আগে দক্ষ শ্রমিক ছিল। এখন আর গোলা নির্মাণ শ্রমিকের দেখা মেলে না। পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় নিয়োজিত হয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করছেন।

গ্রাম অঞ্চলে বাড়িতে বাড়িতে বাঁশ কেটে, বাঁশের কাবারি ও কঞ্চি দিয়ে প্রথমে গোল আকৃতির কাঠামো তৈরি করা হতো। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বর্গ অথবা আয়তক্ষেত্র আকারে গোলা তৈরি করা হতো। এরপর তার গায়ে ভেতরে-বাইরে মাটির আস্তরণ লাগানো হতো। এর মুখ বা প্রবেশ পথ রাখা হতো বেশ ওপরে যেন চোর/ডাকাতরা চুরি করতে না পারে। ধান বের করার জন্য অনেকে নিচে বিশেষ দরজা রাখা হতো। ধানের গোলা বসানো হতো উঁচুতে।

গোলার মাথায় থাকত বাঁশ ও খড়ের তৈরি বা টিনের তৈরি ছাউনি। গোলায় শুকানো ধানের চাল হতো শক্ত। কিন্তু সাম্প্রতিক কালে রাসায়নিক সার, কীটনাশক ও আধুনিক কলের লাঙ্গল যেন উল্টে-পাল্টে দিয়েছে গ্রাম অঞ্চলের চালচিত্র। গোলায় তোলার মতো ধান আর তাদের থাকে না। গোলার পরিবর্তে কৃষকরা ধান রাখা শুরু করে ঘরের দোতলায় আবার যাদের একটু বেশি ধান রয়েছে তারা স্থানীয় আড়তদারদের একটি হিসাব কষে দিয়ে দেন। তবে কালের সাক্ষী হয়ে আজও ধান রাখার গোলা রেখে স্মৃতি বহন করছে গোদাগাড়ীর বালিয়াঘাটা এলাকার কৃষক।

গোপালপুর এলাকার কৃষক নয়ন বলেন, আমার দাদা, তারপর আমার বাবা ধানের গোলায় ধান রাখলেও আমরা সেই স্মৃতি বয়ে বেড়াচ্ছি। কৃষক লালু বলেন, আমার দাদার আমলে ধানের গোলা ছিল। এখন ধান রাখার জন্য মাটির তৈরি কুঠি বা ধানের গোলা দরকার হয় না। গুদাম ঘরে বস্তায় ধান রেখে দেওয়া হয়।

কৃষকের ধানের গোলা বা মাটির তৈরি কুঠি এখন শহরের বিত্তশালীদের গুদাম ঘরে পরিণত হয়েছে। কৃষকের ধান চলে যাচ্ছে একশ্রেণির অসাধু মুনাফালোভী ফড়িয়া ও আড়ত ব্যবসায়ীর দখলে। ইট বালু সিমেন্ট দিয়ে পাকা ইমারতের গুদাম ঘরে মজুদ করে রাখা হচ্ছে হাজার হাজার টন ধান চাল। অনেক ক্ষুদ্র কৃষক বস্তা ও ব্যারেল ভর্তি করে রাখছে আউশ, আমন ও বোরো মওসুমে উৎপাদিত ধান চাল। আগামী প্রজন্মের কাছে গোলা ঘর একটি স্মৃতিতে পরিণত হচ্ছে। আধুনিক গুদাম ঘর ধানচাল রাখার জায়গা দখল করছে। ফলে গোলা ঘরের ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host