1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শাকসু নির্বাচন বানচাল হলে লাগাতার কর্মসূচির হুঁশিয়ারি ছাত্রশিবিরের পাবনা-২ আসনে ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল পাবনা ১: মনোনয়নপত্র জমা দিলেন জামায়াতের নাজিবুর রহমান নির্বাচনি প্রচারণায় বিধি-বিধান মেনে চলার আহ্বান বিএনপির নির্বাচন কমিশনের ওপর বিএনপির আস্থা আছে: মির্জা ফখরুল আজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী ভাঙ্গুড়ায় ৮৯তম ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ যুগ্ম সচিব আবদুল্লাহ আল ফারুক আর নেই, শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের শোক এবার নির্বাচন কমিশন ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির কেন ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও অন্তর্বর্তী সরকার: প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যা

বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণে জেল-জরিমানার কঠোর বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি

ডিডিএন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২১ সময় দর্শন

দেশে বনভূমির জবরদখল রোধ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কঠোর আর্থিক দণ্ডের বিধান রেখে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের মুদ্রণ ও প্রকাশনা শাখা থেকে গতকাল মঙ্গলবার এ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। 

অধ্যাদেশটি জনসাধারণের জ্ঞাতার্থে গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।আজ বুধবার আইন মন্ত্রণালয়ের পাবলিক রিলেশন অফিসার এ কথা জানান।

এই নতুন আইনের আওতায় অনুমতি ছাড়া সংরক্ষিত বা নিষিদ্ধ গাছ কাটলে, ব্যক্তি পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা এবং প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান রাখা হয়েছে।

এই অধ্যাদেশটি ‘বনভূমির ভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, বনভূমির দখল প্রতিরোধ, বন ও বনভূমি যথাযথভাবে সংরক্ষণ, বনভূমির পরিমাণ হ্রাস রোধকল্পে এবং বৃক্ষ সংরক্ষণে বিধানকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ, ২০২৬’ নামে অভিহিত হবে।

এটি অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, এখন থেকে সরকারি বা গণ-পরিসরের যে কোনো গাছ কাটতে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার (বৃক্ষ সংরক্ষণ কর্মকর্তা) পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এমনকি ব্যক্তি মালিকানাধীন ভূমির বিশেষ কিছু প্রজাতির গাছ কাটার ক্ষেত্রেও বন বিভাগের নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।

পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্ব দিয়ে এতে আরও বলা হয়েছে, কোনো প্রাকৃতিক বনভূমিকে এখন থেকে আর বন-বহির্ভূত কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

শাস্তির বিধান:

নতুন এই আইনে অপরাধের ধরন অনুযায়ী শাস্তির মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকার ঘোষিত ‘কর্তন নিষিদ্ধ’ তালিকার কোনো গাছ কাটলে, এ আইনে আদালত অপরাধীকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিতে পারবেন।

এ ছাড়া সাধারণ অনুমতি সাপেক্ষে, তালিকায় থাকা গাছ অনুমতি ছাড়া কাটলে,  ৫০ হাজার টাকা এবং গাছের গায়ে পেরেক বা ধাতব বস্তু লাগিয়ে এর ক্ষতিসাধন করলে ২০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

কোনো সরকারি বা বেসরকারি সংস্থা এই আইন লঙ্ঘন করলে, এ আইনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে আদালতকে।

অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, জাতীয় অপরিহার্য প্রয়োজনে যদি কোনো বনভূমি বন-বহির্ভূত কোন কাজে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়, তবে তার বিপরীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ‘ক্ষতিপূরণমূলক বনায়ন’ নিশ্চিত করতে হবে।

এ ছাড়া বনের সীমানা নির্ধারণে প্রযুক্তি নির্ভর মনিটরিং ও দখলদার উচ্ছেদে বন বিভাগকে এতে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

তবে কিছু ক্ষেত্রে এতে বিশেষ শিথিলতাও রাখা হয়েছে। রোগাক্রান্ত, মৃত, ঝড়ে পড়া বা জননিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ ব্যক্তি মালিকানাধীন গাছ কাটার ক্ষেত্রে আগাম অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

এর পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ঐতিহ্যগত ও প্রথাগত বন অধিকার যাতে ক্ষুণ্ন না হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে বন বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এই অধ্যাদেশটি  Forest Act, ১৯২৭ এর পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।

সরকার আগামী তিন মাসের মধ্যে কর্তন নিষিদ্ধ ও অনুমতিযোগ্য বৃক্ষের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করবে বলে এই অধ্যাদেশে জানানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host