1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পায়ে হেঁটে নেতাকর্মীদের সঙ্গে সার্বভৌমত্ব র‌্যালিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভাঙ্গুড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা  স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের যাত্রাপথে  শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান অবিস্মরণীয় চাটমোহর উপজেলা ও পৌর যুবদলের দুই শীর্ষ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার আজ ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পাবনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রস্তুতি সভা পাবনায় আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষের মুখোমুখি এ্যাড. শিমুল বিশ্বাস এমপি ভাঙ্গুড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী যুবদল নেতা শামীম মোল্লার মোটরসাইকেল শোডাউন দুই মাসে ২২৫০টিরও বেশি ল্যাপটপ বিতরণ করল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি   ফরিদপুরে ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে হারোডাঙ্গা একতা উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু

চারঘাটে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান, অপ্রতুল বেঞ্চে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ

ডিডিএন ডেস্ক:
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২১৪ সময় দর্শন

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার হাবিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একমাত্র ভবনটি সাত বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হলেও এখনো সেখানে চলছে পাঠদান। দেয়াল ও ছাদের ফাটল, খসে পড়া পলেস্তারা, কোথাও কোথাও বেরিয়ে আসা রড—সব মিলিয়ে ভবনটি এখন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য আতঙ্কের আরেক নাম।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যালয়ের একতলা ভবন নির্মিত হয় ১৯৯৩ সালে। ২০১৮ সালে উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে। তবুও ২১৮ জন শিক্ষার্থী এখনো ওই জরাজীর্ণ ভবনে মাত্র ১৭ সেট বেঞ্চে পড়াশোনা করছে। নির্মাণকালে দেওয়া ৩৯ সেট বেঞ্চের মধ্যে ২২টি নষ্ট হয়ে গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, তিন কক্ষবিশিষ্ট ভবনের একটি কক্ষকে ছোট করে অফিস রুম তৈরি করা হয়েছে। ফলে শিক্ষকরা গাদাগাদি করে সেখানে বসছেন। ক্লাস চলাকালে ছাদ থেকে সিমেন্ট খসে পড়ছে, নাজুক ফ্যানের রড যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি করছে।

সহকারী শিক্ষিকা শরিফা খাতুন জানান, কিছুদিন আগে ক্লাস নেয়ার সময় ছাদের রডসহ ফ্যান খুলে পড়ে তিনি আহত হন। তিনি বলেন, “আমি বেঁচে গেছি, কিন্তু প্রতিদিনই ভয় হয়—শিক্ষার্থীদের কোনো ক্ষতি হয়ে গেলে কী জবাব দেবো?” ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সোহানুর রহমান জানায়, বই-খাতা ভিজে যায় বৃষ্টির পানিতে। আবার বেঞ্চ সংকটে গাদাগাদি করে ৫-৬ জন বসতে হয়।

অভিভাবক রাবেয়া খাতুন বলেন, “স্কুল নিরাপদ জায়গা জানতাম। কিন্তু এখন স্কুল মানেই আমাদের কাছে ভয়। মেয়েকে ভেতরে রেখে আমি বাইরে অপেক্ষা করি।”

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, এখানে শিক্ষার্থী থাকলেও ক্লাসরুম ও বেঞ্চের অভাব ভয়াবহ। অন্য বিদ্যালয়ে অব্যবহৃত ভবন থাকলেও এ বিদ্যালয়টি এখনো অবহেলিত।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সাইফুর রহমান জানান, “বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেও প্রতিকার পাইনি। ১৯৯৪ সালের পর নতুন বেঞ্চও পাওয়া যায়নি। শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে।”

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “ভবনের চাহিদার তালিকায় এ বিদ্যালয়ের নাম প্রথমেই পাঠানো হয়। কিন্তু এ বছরও নতুন ভবনের বরাদ্দ হয়নি।”

সূত্র: এফএনএস।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host