1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান ইস্যুতে দিল্লির ব্যাখ্যা দিল ভারত উজবেকিস্তানকে উড়িয়ে দিলো রোনালদোর পর্তুগাল চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের রাষ্ট্রীয় ভোজে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে সর্বোচ্চ বীমা দাবি নিষ্পত্তি করেছে মেটলাইফ ভাঙ্গুড়ায় অগ্নিকাণ্ডে কৃষকের বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতি ৪ লাখ টাকা পাবনা জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপে ভাঙ্গুড়া ডাক বাংলোর জায়গা উদ্ধার ভাঙ্গুড়া জেলা পরিষদের প্রাচীন ডাক বাংলোর জায়গা জবরদখল ! ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ পর্ষদ গঠনের দাবি মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করতে আনোয়ার ইব্রাহিমের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

চলনবিলে বাউত উৎসবে মেতেছে শৌখিন মৎস্য শিকারিরা

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ২০৯ সময় দর্শন

প্রতিবছরের মতো এবারও পাবনার চলনবিল অধ্যুষিত ভাঙ্গুড়ার রুহুলবিলে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল মাছ ধরার ‘বাউত’ উৎসব। একে ঘিরে শনিবার ভোর থেকে মাছ ধরার নানা উপকরণ নিয়ে বিলপাড়ে জড়ো হন নানা বয়সী হাজারো মানুষ। এতে শৌখিন মাছ শিকারিদের মিলনমেলায় পরিণত হয় বিল এলাকা।

তবে নিষিদ্ধ কারেন্ট ও বাদাই জাল ব্যবহার করে নির্বিচারে পোনা মাছ নিধনের ফলে বিগত বছরগুলোর মতো এ বছরও তেমন মাছের দেখা মেলেনি। তাই অনেক মৎস্য শিকারিকেই খালি হাতে ফিরতে হয়েছে বলে জানান তারা।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছর বর্ষার পানি নেমে যাওয়ার পর নির্ধারিত দিনে ঘোষণা দিয়ে নির্দিষ্ট বিলে মাছ শিকার করা এ অঞ্চলের মানুষের একটি পুরোনো প্রথা। এদিন মাছ শিকারিরা পলো, বাদাই, খেওয়া জাল, ঠেলাজাল প্রভৃতি উপকরণ দিয়ে মাছ ধরে থাকেন। আর স্থানীয় ভাষায় এসব মাছ শিকারকে বলা হয় বাউত।

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী শনিবার ভোরবেলা থেকেই উপজেলার রহুল বিলে শুরু হয় বাউত উৎসব। পাবনার ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর, চাটমোহর উপজেলাসহ আশপাশের নাটোর, রাজশাহী ও সিরাজগঞ্জ জেলা থেকে শত শত শৌখিন মাছ শিকারি বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল, সিএনজি অটোরিকশা, বাস, ট্রাক, নছিমন-করিমনযোগে এসে জড়ো হয় বিলপাড়ে।

ভোরবেলা থেকে প্রায় দুপুর পর্যন্ত চলে মাছ শিকার। তারা রুই, কাতলা, শোল, বোয়াল, গজার, মিনার কার্প, পুঁটি, টাকি প্রভৃতি মাছ শিকার করেন।

উপজেলার চরভাঙ্গুড়া গ্রামের স্কুলশিক্ষক আব্দুল গফুর বলেন, মাছ তো হাট-বাজারেই কিনতে পাওয়া যায়। কিন্তু রুহুলবিলে আমরা আসি শখ করে। সেই ছোটবেলা থেকেই আমি এ বিলে মাছ ধরতে আসি।

নাটোরের জোনাইল থেকে আসা হাফিজ রোজারিও বলেন, আমি প্রতিবছরই এ বাউত উৎসবে আসি। কিন্তু এ বছর মাছ নেই। তবে মাছ না পেলেও হাজার হাজার মানুষ একসঙ্গে মাছ ধরার যে আনন্দ সেটা উপভোগ করি।

চাটমোহর থেকে আসা শেখ জাবের আল-শিহাব বলেন, আমি পেশাগত কারণে রাজশাহীতে থাকি। কিন্তু রুহুল বিলের উন্মুক্ত জলাশয়ে বাউত উৎসবের খবরে আর থাকতে পারেনি। তাই পলো নিয়ে মাছ ধরতে এসেছিলাম কিন্তু মাছ না পেয়ে খালি হাতেই বাড়ি ফিরতে হয়েছে।

টাঙ্গাইল থেকে বাস ভাড়া করে মাছ ধরতে এসেছিলেন প্রায় ৭০-৮০ জন শৌখিন মৎস্য শিকারি। তারা জানান, প্রতিবছর এ দিনটির জন্য আমরা অপেক্ষা করি। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে বাস ভাড়া করে আমরা মাছ ধরতে এসেছি। কিন্তু নিষিদ্ধ কারেন্ট ও বাদাই জাল ব্যবহার করে পোনা মাছ নিধন করায় এখন আর আগের মতো মাছ পাওয়া যায় না।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আলী আজম আমার দেশকে বলেন, বাউত উৎসব এই এলাকার একটি পুরোনো ঐতিহ্য। প্রতিবছর দূরদূরান্ত থেকে নানা বয়সি হাজার হাজার মানুষ এখানে একসঙ্গে মাছ শিকারে নামেন। তবে এভাবে মাছ শিকার করায় দেশীয় প্রজাতি মাছের বংশ বিস্তারের জন্য ক্ষতিকর।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host