1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গুড়া জুয়েল বস্ত্রালয়ে একদরের নামে ডাকাতি,৫ হাজার টাকা দন্ড ফ্রি চক্ষু ক্যাম্পে চিকিৎসা সেবা পেলেন ১৪২ রোগী ভাঙ্গুড়া পৌরসভার গরু হাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায়! ক্ষুব্দ ক্রেতা-বিক্রেতা ভাঙ্গুড়ায় প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক মালিকদের মাসিক সভা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ফটোগ্রাফার হলেন পাবনার পরাগ ছেলেকে নকল দুধ তৈরিতে সহায়তা, মাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা বড়ালব্রিজ স্টেশনে ট্রেন চালকের দায়িত্বহীনতায় নামতে পারেনি অনেক যাত্রী,পকেটমারের শিকার! শিগগিরই চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের তালিকা প্রকাশ করে অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি বন্ধে জ্বালানি খাতে বাড়ছে অনিশ্চয়তা

ভাঙ্গুড়া জুয়েল বস্ত্রালয়ে একদরের নামে ডাকাতি,৫ হাজার টাকা দন্ড

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৮ সময় দর্শন

ভাঙ্গুড়া প্রতিনিধি : পাবনা ভাঙ্গুড়া পৌরসভার খাদ্যগুদাম রোডে জুয়েল বস্ত্রালয় ৬০০ টাকার জিনিস ১৮০০ টাকায় বিক্রয় করায় সত্তাধিকারীর   ৫০০০ টাকা অর্থদন্ড আদায়  করা হয়েছে।

ভাঙ্গুড়া বাজারের এই জুয়েল বস্ত্র বিতানের বিরুদ্ধে একদরের নামে অস্বাভাবিক মূল্য নেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। জনৈক ব্যক্তির অভিযোগ ও তথ্যানুসন্ধ্যানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট শনিবার ভাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় নিশ্চিত হন যে ৬০০ টাকার জিনিস ১৮০০ টাকায় বিক্রয় করা হচ্ছে । তখন ভ্রাম্যমান আদালত তাকে  ৫০০০ টাকা অর্থদন্ড অনাদয়ে তিন মাসের জেল প্রদানের রায় ঘোষনা করেন। শনিবার (৭ মার্চ) বিকালে সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে অস্বাভাবিক দামে বিক্রয় করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৫০০০ টাকা অর্থ দণ্ডাদেশ অথবা ৩ মাসের জেল প্রদান করেন।

পরে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদন্ড পরিশোধ করে জুয়েল বস্ত্র বিতানের মালিক শহিদুর রহমান জেল হাজত থেকে রক্ষা পান। তবে আদালত সবাইকে সতর্ক থেকে এখানে কাপড় ও অন্যন্য সামগ্রী ক্রয়ের জন্য পরামর্শ প্রদান করেন।

এই ঘটনায় অনেক গ্রাহক ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তারা বলেন বিশ্বাসের সাথে একদরে জিনিস কেনা হয়। অথচ এমন প্রতারণায় তারা এখন হতবাক । এটা রীতিমত ডাকাতির সামিল। তারা দাবি করেন, পৌর প্রশাসকের তত্তাবধানে জুয়েল বস্ত্র বিতানের সকল পোষাকের আগে  ন্যায্য মূল্যা নির্ধারণ করা হোক। তারপর দোকানে বিক্রির অনুমতি  দেওয়া হোক। নইলে এই প্রতারণার জালে  আটকে সাধারণ গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হতেই থাকবেন। এটা কারো কাম্য নয়।।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host