1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হয় আমি থাকব, না হয় হাসপাতালের দুর্নীতি থাকবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচ হাসপাতালে-এ প্রধানমন্ত্রী পাবনায় পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু ভাইভার নম্বর বাড়ানো দলীয়করণের অশুভ ইঙ্গিত-মিয়া গোলাম পরওয়ার ভারতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না তারেক রহমান-পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা ও অবক্ষয়মূলক কনটেন্ট প্রতিরোধই সরকারের লক্ষ্য : তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান ভাঙ্গুড়ায় হাতে টর্চ ও মুখে মাস্ক পরে নিষিদ্ধ যুবলীগের ঝটিকা মিছিল মদনে ছেলের দায়ের কোপে বাবা নিহত স্কুল ভবন পুকুরে ধসের আশঙ্কা, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে একগুচ্ছ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার

ভাঙ্গুড়া জুয়েল বস্ত্রালয়ে একদরের নামে ডাকাতি,৫ হাজার টাকা দন্ড

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ২৯৪ সময় দর্শন

ভাঙ্গুড়া প্রতিনিধি : পাবনা ভাঙ্গুড়া পৌরসভার খাদ্যগুদাম রোডে জুয়েল বস্ত্রালয় ৬০০ টাকার জিনিস ১৮০০ টাকায় বিক্রয় করায় সত্তাধিকারীর   ৫০০০ টাকা অর্থদন্ড আদায়  করা হয়েছে।

ভাঙ্গুড়া বাজারের এই জুয়েল বস্ত্র বিতানের বিরুদ্ধে একদরের নামে অস্বাভাবিক মূল্য নেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। জনৈক ব্যক্তির অভিযোগ ও তথ্যানুসন্ধ্যানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট শনিবার ভাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় নিশ্চিত হন যে ৬০০ টাকার জিনিস ১৮০০ টাকায় বিক্রয় করা হচ্ছে । তখন ভ্রাম্যমান আদালত তাকে  ৫০০০ টাকা অর্থদন্ড অনাদয়ে তিন মাসের জেল প্রদানের রায় ঘোষনা করেন। শনিবার (৭ মার্চ) বিকালে সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে অস্বাভাবিক দামে বিক্রয় করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৫০০০ টাকা অর্থ দণ্ডাদেশ অথবা ৩ মাসের জেল প্রদান করেন।

পরে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদন্ড পরিশোধ করে জুয়েল বস্ত্র বিতানের মালিক শহিদুর রহমান জেল হাজত থেকে রক্ষা পান। তবে আদালত সবাইকে সতর্ক থেকে এখানে কাপড় ও অন্যন্য সামগ্রী ক্রয়ের জন্য পরামর্শ প্রদান করেন।

এই ঘটনায় অনেক গ্রাহক ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তারা বলেন বিশ্বাসের সাথে একদরে জিনিস কেনা হয়। অথচ এমন প্রতারণায় তারা এখন হতবাক । এটা রীতিমত ডাকাতির সামিল। তারা দাবি করেন, পৌর প্রশাসকের তত্তাবধানে জুয়েল বস্ত্র বিতানের সকল পোষাকের আগে  ন্যায্য মূল্যা নির্ধারণ করা হোক। তারপর দোকানে বিক্রির অনুমতি  দেওয়া হোক। নইলে এই প্রতারণার জালে  আটকে সাধারণ গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হতেই থাকবেন। এটা কারো কাম্য নয়।।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host