1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পাবনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রস্তুতি সভা পাবনায় আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষের মুখোমুখি এ্যাড. শিমুল বিশ্বাস এমপি ভাঙ্গুড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী যুবদল নেতা শামীম মোল্লার মোটরসাইকেল শোডাউন দুই মাসে ২২৫০টিরও বেশি ল্যাপটপ বিতরণ করল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি   ফরিদপুরে ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে হারোডাঙ্গা একতা উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু মাঠ পর্যায়ে সেবার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ভাঙ্গুড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গুরুত্বপূর্ণ সভা মুক্তিযুদ্ধের অগ্রদূত শহীদ জিয়ার ব্যবহৃত কিংবদন্তি মোটর গাড়িটি ইতিহাসের রাজশাক্ষী আন্দোলন পরিহার করে পোশাকশ্রমিকদের অবিলম্বে কাজে ফেরার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক ও মালিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি পাবনা জেলা জামায়াতের নতুন আমীর অধ্যাপক নজরুল ইসলাম

হাজারো মানুষের ভরসার সাঁকো!

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ মে, ২০২১
  • ৪০১ সময় দর্শন

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের চরখোর্দ্দা ও লাটশালা গ্রাম। তিস্তা নদী বিধৌত এ জনপদের মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। কিন্তু সেই বাঁশের সাঁকোটিও এখন নরভরে ও ঝুঁকিপূর্ণ। বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই পারাপার হচ্ছে স্থানীয়রা।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, তিস্তা নদীর শাখা খালের উপর কয়েক বছর আগে স্থানীয়দের স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মাণ করা হয় কাঠের সেতু। কিন্তু দুই বছর আগে ভয়াবহ বন্যায় সেই সেতুটিও ভেঙে যায়। এতে বিচ্ছিন্ন হয় কয়েক হাজার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা। বাধ্য হয়ে আবারো বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হয় সাঁকো। হাজারো মানুষের চলাচলের ফলে সেই সাঁকোটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। নরভরে আর ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও নিরুপায় হয়ে চলাচল করছেন স্থানীয়রা। দীর্ঘদিন ধরে একটি ব্রিজের দাবি তুললেও কোন ব্যবস্থা করেনি সংশ্লিষ্ট দপ্তর। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দ্বারস্থ হয়ে নানা সময় প্রতিশ্রুতি পেলেও আলোর মুখ দেখিনি সেতু। তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো মানুষ। এতে যেকোনো সময় ভেঙে গিয়ে বড় দুর্ঘটনায় আশঙ্কা করছেন পথচারীরা।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের খোদ্দা, চরখোর্দ্দা, লাটশালা, বৈরাগীপাড়া, মন্ডলপাড়া গ্রাম ও কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বজড়া এবং গুনাইগাছ ইউনিয়নের চরবিরহীম, সাধুয়া, দামারহাট, নাগড়াকুড়া, কালপানি, হুকাডাঙ্গা ও থেথরাই গ্রামের কমপক্ষে ২০ হাজার মানুষ প্রতি নিয়ত বুড়াইল সাঁকো দিয়ে চলাচল করে। দুই উপজেলার মানুষের সেতু বন্ধনের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে সাঁকোটি। এছাড়া হাজারও স্কুল ও কলেজগামী শিক্ষার্থী এবং দুই উপজেলায় সরকারি বেসরকারি চাকরিজীবীরা প্রতিদিন চলাচল করে থাকেন সাঁকোর উপর দিয়ে।

লাটশালা গ্রামের মানিক ব্যাপারী নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, গত কয়েক বছর ধরে আমরা একটা ব্রিজের দাবি করে আসছি। কিন্তু নানা সময়ে জনপ্রতিনিধিরা প্রতিশ্রুতি দিলেও আজও সেটা বাস্তবায়ন হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি।

একই গ্রামের বৃদ্ধ মজিবুর রহমান জানান, সাঁকোত উঠলে মোর কইলজা ধকধক করে বাপো। কখন যে ভাঙি পরোম সেই ভয় নিয়া হাঁটি আসনু। এতোদিন ধরি হামাক ব্রিজ করি দিবার চায়া ভোট নেয় আর ভোটে হইলে খোঁজ নেয় না।

এ ব্যাপারে তারাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বলেন, আমি চেয়ারম্যান হওয়ার পর রাস্তাটি নির্মাণ করেছিলাম। আমি এ বছর ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের একটি সেতুর বরাদ্দে নাম অন্তর্ভুক্ত করেছি। ইতোমধ্যে মাটি পরীক্ষাও করা হয়েছে। আশা করছি এই বছরেই সেতুর কাজ শুরু হবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host