সোমবার (২৬ অক্টোবর) ওই দোকানে অভিযোগ জানাতে গেলে কৃষক আশরাফ আলীর সঙ্গে দোকানমালিক আব্দুল জব্বারের বাদানুবাদ হয়। এ সময় দোকানমালিক ক্ষতিপূরণ হিসেবে তাঁকে ১০ হাজার টাকা দিতে চান বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে সাংবাদিক ও স্থানীয় লোকজন উপস্থিত হলে দোকানে বিভিন্ন ধরনের মেয়াদোত্তীর্ণ কীটনাশক দেখতে পান তাঁরা। পরে বিষয়টি ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) নজরে আনা হলে তিনি পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। তবে তিনি পৌঁছানোর আগেই দোকানমালিক আব্দুল জব্বার সেখান থেকে সরে যান বলে জানা গেছে। অভিযুক্ত দোকানমালিককে ঘটনাস্থলে না পেয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ভুক্তভোগী কৃষককে থানায় নিয়মিত মামলা করার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে উপস্থিত ব্যক্তিদের সামনে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিষয়টি নিয়ে মামলা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
কৃষক আশরাফ আলীর অভিযোগ, প্রায় দুই থেকে তিন মাস আগে জমিতে কীটনাশক ব্যবহারের সময় সেটির সংস্পর্শে এসে তাঁর হাতে সংক্রমণ দেখা দেয়। পরে তা কয়েকটি আঙুলে ছড়িয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে হয়। দীর্ঘ তিন মাস চিকিৎসা নিয়েও আঙুলগুলো আগের অবস্থায় ফেরেনি বলে দাবি করেন তিনি। তবে কীটনাশকের কারণেই সংক্রমণ হয়েছে কি না, তা চিকিৎসাসংক্রান্ত নথি বা পরীক্ষার মাধ্যমে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দাখিলের খবর পাওয়া যায়নি। ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিউল আযম বলেন, “ভুক্তভোগী এখনো থানায় আসেননি। তিনি থানায় এলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”