1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:০০ অপরাহ্ন

পাবনা-৩ ,বিএনপির রাজনীতি কোন পথে ?

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৩ সময় দর্শন

পাবনা-৩ ,বিএনপির রাজনীতি কোন পথে ?
আমরা লক্ষ্য করছি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরে পাবনা -৩ এ বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাসান জাফির তুহিন পরাজিত হন। পরবর্তী সময়ে বিএনপির নেতাদের মধ্যে একটা আতঙ্ক লক্ষ্য করা যায়। সাধারণ মানুষের ধারণা নির্বাচনে যে টাকা পয়সা খরচ হয়েছে তা বিফলে গেছে । এজন্য প্রার্থীর নিকটতম লোকজন হিসাব চাচ্ছেন, এই বলে যে তারা টাকা পয়সা ঠিকমতো খরচ না করার কারণে ধানের শীষের প্রার্থীর পরাজয় হয়েছে । আর যারা টাকা পয়সা নিয়েছেন তারা খরচ করেন নাই । যার ফলে সাধারণ ভোটারদের বিএনপির প্রতি আগ্রহ কম ছিল । সেই সঙ্গে যারা রাজনীতির মাঠে খরচের জন্য প্রার্থীর নিকট থেকে টাকা নিয়েছিলেন তারা টার্গেটে পড়েন।
আজকে ফেসবুকে দেখলাম ফরিদপুরের বিএনপির সিনিয়র এক নেতা লাঞ্ছিত হয়েছেন। কারণ তিনি ফরিদপুর থানা থেকে বিশ হাজার ভোট বেশি দিতে চেয়েছিলেন ।
ভাঙ্গুড়া উপজেলার নেতারা ১৫ হাজার ভোট বেশি দিতে চেয়েছিলেন।
কিন্তু ফলাফল হয়েছে উল্টো। এতে প্রার্থী ক্ষুব্ধ হন এবং তার নিজস্ব লোকজন টাকা ফেরত যান। এসব ঘটনার সূত্র ধরেই কিছু স্থানীয় বিএনপি নেতা তুহিন সাহেবের লোকজনের দ্বারা লাঞ্ছিত হন বলে জানা যায়।
এই নির্বাচনের প্রারম্ভিক কথা যদি বলি তাহলে তুহিন সাহেব নিজে চেষ্টা করে পাবনা ৩ এ মনোনয়ন নেন। ফলে এখানকার স্থানীয় নেতৃবৃন্দ যারা নমিনেশন পেতে পারতেন তারা ক্ষুব্ধ হন।
তাদের তালিকায় মাসুদ খন্দকার ছিলেন প্রথম। তবুও তিনি তারেক রহমানের নির্দেশে পাবনা ৩ এর ভাঙ্গুরা, চাটমোহর, ফরিদপুর উপজেলায় বিএনপির মিটিং করে তুহিন সাহেবকে সমর্থন দিয়ে সরে পড়েন। তখন তুহিন সাহেবের সাথে কেবল মাসুদ খন্দকারের ঘনিষ্ঠ এবং সমর্থিত নেতৃবৃন্দই কেবল মিটিং মিছিলে অংশ গ্রহণ করেন।
পরে অন্যান্য নেতৃবৃন্দ পর্যায়ক্রমে তুহিন সাহেবের থেকে যুক্ত হন।
এ কথা ঠিক বহিরাগত প্রার্থীকে সাধারণ ভোটাররা ভালোভাবে মেনে নেননি। চাটমোহরের সাবেক এমপি আনারুল ইসলাম এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হীরা সাহেব তুহিনের বিপক্ষে অবস্থান নেন এবং আনোয়ার সাহেব প্রার্থী হলে বিএনপি ঝুঁকির মুখে পড়েন। যার ফলে জামাতের কম ভোটার থাকলেও সাধারণ ভোটাররা জামাতের প্রতি ঝুঁকে পড়েন।
নির্বাচনে হার-জিত থাকে। তবে আমরা ৩, বিএনপির ঘাঁটি বলে পরিচিত । বিএনপি স্থানীয় প্রার্থী দিলে অনেক ভোটে এমপি নির্বাচিত হতেন।
নির্বাচনে হারার পরে কর্মীদের উপরে অসদাচরণ করা কাম্য নয়। এছাড়া আমরা লক্ষ্য করেছি কোন কোন নেতা তার নিজ গ্রামে অবস্থান করে ধানের শীষের পক্ষে বেশি ভোট সংগ্রহের ব্যাপক চেষ্টা করেছেন।
তবে কাজ হয়নি। তাই বলে নেতৃবৃন্দ অপমানের শিকার হবেন এটা কোন রাজনৈতিক সংস্কৃতি হতে পারে না। অনেকের মন্তব্য আবার এরকম যে,ষড়যন্ত্র করলে ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়। নমিনেশনের সময়ে স্বাভাবিকভাবে হলে হয়তো এরকম হতো না । ষড়যন্ত্র করে যখন বাইরে থেকে প্রার্থী নিয়ে আসা হয়েছিল তার ফলশ্রুতিতেই আজকে ষড়যন্ত্রকারীরা এই ধরনের অপমানের শিকার হচ্ছেন।
আমরা আশা করি ভবিষ্যতে কাউকে সরিয়ে দিয়ে নয়, স্বাভাবিকভাবে রাজনীতির প্রতি স্থাপন হোক।

জামাতের যোগ্যতা সম্পন্ন প্রার্থী আরো ছিল দেশে, তারা কিন্তু পাবনা ৩

এ এমন কাউকে দেননি । ভবিষ্যতে এটি স্মরণে রেখেই বিএনপি’র ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। পরস্পর দোষারোপ বন্ধ করতে হবে। নিজেদের দোষ নিজেরা সমালোচনা করতে হবে। নইলে বিএনপি নিশ্চিত পথ হারিয়ে ফেলবে এ আসনে। এছাড়া আগামীতে আওয়ামী লীগ যখন ফিরবে তাদের পুনরুদ্ধার হতে পারে এখানে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host