1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে সর্বোচ্চ বীমা দাবি নিষ্পত্তি করেছে মেটলাইফ ভাঙ্গুড়ায় অগ্নিকাণ্ডে কৃষকের বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতি ৪ লাখ টাকা পাবনা জেলা পরিষদ প্রশাসকের হস্তক্ষেপে ভাঙ্গুড়া ডাক বাংলোর জায়গা উদ্ধার ভাঙ্গুড়া জেলা পরিষদের প্রাচীন ডাক বাংলোর জায়গা জবরদখল ! ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ পর্ষদ গঠনের দাবি মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করতে আনোয়ার ইব্রাহিমের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গুম-খুনের বিচার দাবিতে রাজধানীতে ১১ দলীয় সমাবেশের ঘোষণা বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে আরও দুই বছর সময় লাগবে, বললেন অর্থমন্ত্রী

গোপন বন্দিশালার নির্মমতার চিত্র তুলে ধরলেন চিফ প্রসিকিউটর

ডিডিএন ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ২২৪ সময় দর্শন

একটা মানুষকে পৈশাচিক ভাবে কতটা নির্মম নির্যাতন করা যায় তা গোপন বন্দিশালাগুলো পরিদর্শন না করলে বিশ্বাস করাটা কঠিন ছিল বলে উল্লেখ করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ‘আয়নাঘর’ নামে কুখ্যাতি পাওয়া গোপন বন্দিশালা পরিদর্শনের ভয়াবহ বর্ণনা দিয়ে বৃহস্পতিবার নিজ কার্যালয়ে চিফ প্রসিকিউটর সাংবাদিকদের বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গতকাল তিনটি গোপন বন্দিশালা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। গুম কমিশন, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সাংবাদিক, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্র্যাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সমন্বয়কসহ আমি (চিফ প্রসিকিউটর) বন্দিশালাগুলো পরিদর্শন করেছি এবং বীভৎসতার চিত্র আমরা দেখেছি। ‘সেখানে ইলেক্ট্রনিক শক দেওয়ার ব্যাবস্থা ছিল। বন্দীদের চোখ বেধে রাখা হত। তিন ফিট বাই তিন ফিট এবং দুই ফিট বাই দুই ফিট অমানবিক সব সেল। একটা মানুষকে পৈশাচিকভাবে কতটা নির্মম নির্যাতন করা যায় তা গোপন বন্দিশালাগুলো পরিদর্শন না করলে মানুষের পক্ষে এগুলো বিশ্বাস করাটাই কঠিন ছিল।’

গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার পদ্ধতিগতভাবে বাংলাদেশের ভিন্নমতকে দমন করার জন্য নির্যাতন ও গোপন হত্যাকে যে একটা কালচারে পরিণত করেছিল সেটা উন্মোচিত হয়েছে উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন,‘যারা এই নির্যাতন বা নির্যাতন কেন্দ্রগুলোর সাথে সম্পৃক্ত আমরা তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে চাই।’

মায়ের সাথে এক হতভাগা মেয়ের বন্দীদশার কথা তুলে ধরে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘একটা ১১ বছরের মেয়েকে তার মা’সহ তুলে নেওয়া হয়েছিল। মেয়েটির সামনে মাকে হাতকড়া দিয়ে বেধে নির্যাতন করা হয়েছে। মেয়েটির মা মোটা ছিল বলে হাতকড়া কেটে তার শরীরের মধ্যে বসে গিয়েছিল। ১১ বছরের মেয়েটাকে পাশেই চোখ বেধে রাখা হতো। বাথরুম করার সময়ও মেয়েটির মায়ের হাতকড়া খুলে দেওয়া হতো না। ১১ বছরের মেয়েসহ একজন নারী রেহাই পায়নি। পুরুষ সদস্যরা নির্যাতন করেছে। এমনকি মেয়েটির মা আজও ফিরে আসেনি। আমরা ধারণা করছি হয়ত তাকে হত্যা করে তার লাশ কোথাও ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। গতকাল ১১ বছরের মেয়েটি কিন্তু চিহ্নিত করতে পেরেছে কোথায় তাদের রাখা হয়েছিল, নির্যাতন করা হয়েছিল।’

গোপন বন্দীশালার আলামত নষ্ট প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘অনেক আলামত আমরা জব্দ করেছি। তবে আমরা দেখেছি গোপন বন্দিশালা বা নির্যাতন কেন্দ্রগুলোর ব্যাপক আলামত নষ্ট করা হয়েছে।’

সূত্র: বাসস

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host