নিরাপদ জীবনের জন্য করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া কঠোর বিধিনিষেধসহ লকডাউনে সাময়িক অসুবিধা মেনে নিতে দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন আজ (বৃহস্পতিবার) ভোর ৬টা থেকে শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত।বিধি-নিষেধের আওতায় এই সময় বন্ধ থাকবে সব ধরনের যন্ত্রচালিত যানবাহন,
করোনা সংক্রমণ রোধে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে সারাদেশে কঠোর লকডাউন শুরু হয়েছে। যা আগামী ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। সরকার ঘোষিত সাতদিনের কঠোর এই লকডাউনের প্রথম দিন
দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধ আজ বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে সাতদিনের সরকারি বিধিনিষেধ শুরু হয়েছে। এই বিধিনিষেধ থাকবে আগামী ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত। সরকারি বিধিনিষেধ এবং মানুষের স্বাস্থ্যবিধি
দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়ে আবেদন করলে রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ক্ষমা করে মুক্তি দিতে পারেন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বুধবার জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেছেন, করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারের ঘোষণাকৃত কঠোর বিধিনিষেধ না মানলে ২৬৯ ধারায় মামলা হতে পারে। বাইরে বের হওয়ার সংগত কারণ না দেখাতে
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) ভোর ৬টা থেকে সারাদেশে সাত দিনের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। এই সময়ে জনসাধারণ ও যানবাহন চলাচল এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিচালনার
নির্দিষ্টকরণ বিল পাসের মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদে ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট পাস হয়েছে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বুধবার (৩০ জুন) সংসদ অধিবেশন এ বাজেট পাস হয়। অর্থমন্ত্রী আ হ
আগামীকাল ১ জুলাই থেকে সারাদেশে সাতদিনের জন্য কঠোর বিধি-নিষেধ জারি করেছে সরকার। এসময়ে জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী ও জরুরি কারণ ছাড়া ঘরের বাইরে কেউ বের হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
আন্তর্জাতিক সাইবার নিরাপত্তা সূচকে ২৫ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা আন্তর্জাতিক টেলিযোগযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) ‘গ্লোবাল সাইবার সিকিউরিটি ইনডেক্স-২০২০’ প্রকাশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান ৫৩তম। এর