1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

পশ্চিমা্ঞ্চল রেলের টিকিট কালোবাজারি ও গার্ডের দুর্ব্যবহার

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
  • ৬ সময় দর্শন

মন্তব্য প্রতিবেদন:

অনলাইন ডেস্ক: পশ্চিমা্ঞ্চল রেল বিভাগের রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী কোনো ট্রেনের টিকিটি অনলাইনে পাওয়া যায়না। কারণ সব টিকিট কালোবাজারে বিক্রি হচ্ছে। এমন অবস্থা গত ঈদুল আযহা থেকে শুরু হয়েছে। ভুক্তভোগীরা বলেন অসাধু লোকেরা সিন্ডিকেট তৈরি করে সব টিকিট তারা নিয়ে নিচ্ছে। পরে ২/৩ গুন বেশি দামে বিক্রি করছে। এটা প্রকৃত চিত্র। এর আগে কখনো এমন অবস্থা বিরাজ করেনি। এই কৃত্তিম ক্রাইসিসের জন্য রেলের দুর্বল প্রশাসন দায়ি বলে যাত্রী সাধারণ মনে করেন।

গতকাল ১৮ জুন রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী আন্ত:নগর পদ্মা এক্সপ্রেসে ভ্রমণ করা একজন যাত্রী বলেন,এই ট্রেনে জ-বগি অনেকটা ফাঁকা যাচ্ছে অথচ অনলা্ইন-অফলাইন কোথাও টিকিট ছিলনা।  একজন সিনিয়র সিটিজেন অবসার প্রাপ্ত ৫ম গ্রেডের সরকারি কর্মকর্তা,বয়োজ্যেষ্ঠ ভদ্রলোক তার স্ত্রীসহ তাড়াহুরো করে বড়ালব্রিজ থেকে খ ও গ-বগির মাঝে উঠে পড়েছেন,যাবেন শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশনে।  তাদের হাতে দুটো বড় ব্যাগ। তারা বলেন,এসি বগি ছাড়া এই বয়সে জার্নি করা সম্ভব হয়না। অন্তত ভিড় এড়াতে স্ট্যান্ডিং টিকিট নিয়ে উঠে পড়েছেন। সিট ছাড়া তারা দু’জনে দাঁড়িয়েছিলেন কেবিনের বাইরে । তখন কম বয়সী গার্ড আব্দুস ছাত্তার নিজের কামরা ছেড়ে অ্যটেন্ডেন্ট এর এসি কামরায় বসেছিলেন। হঠাৎ বের হয়ে সরাসরি অ্যটেন্ডন্টকে বললেন,ওই লোক টিকিট ছাড়া  এখানে দাঁড়িয়ে আছে,বের করে দাও। ওই ভদ্রলোক বললেন,আমরা হাজবেন্ড ওয়াইফ দুজনই বয়স্ক। অনলাইনে রাজশাহী থেকেও অনেক খুঁজেছি কিন্তু টিকিট পাইনি। তবে সীট ছাড়াই আমরা দুটো টিকিট নিয়েছি। আমাদের টিকিট নাই এটা সত্য নয়। এছাড়া কেবিনের ভিতরও তো আমরা যাইনি। তারপরও গার্ড ছাত্তার বললেন,আপনাদের জায়গা এটা নয়। অথচ তখনও টয়লেটের পাশে কাঠের বাক্সের উপর তিনি দু.জন লোককে বসিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন,যাদের টিকিট ছিলনা। অ্যটেন্ডেন্টের এসি কামরায়ও দুজন টিকিট ছাড়া বসেছিল। তারা বৈধ কারণ ওরা গার্ডকে টাকা দিয়েছিল। গার্ডের এই দুর্ব্যবহারের উত্তর ঐ ভদ্রলোকের কাছে ছিলনা।

বিদেশে একজন সিনিয়র সিটিজেনকে অনেক সম্মান করা হয়। তদুপরি এখানে দু’জনই লার্নেড পার্সন ও পদস্থ তো বটেই। তবুও রেলের গার্ডের কাছে এমন আচরণ সত্যি অপ্রত্যাশিত। রেল মন্ত্রণালয়ের উচিত হবে দ্রুত টিকিট কালোবাজার বন্ধ করা। সেইসঙ্গে গার্ডদের ব্যবহারে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে যথাযথ প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host