1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চার বছরের শিশু ধর্ষণ চেষ্টা, যুবককে পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ ওসমান হাদীর খুনিদের ফেরতের বিষয়ে কঠোর অবস্থানে ঢাকা মৎস্য, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি বাড়াতে জলাশয়ের সর্বোচ্চ ব্যবহারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ভাঙ্গুড়ায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা বাংলাদেশের আবহাওয়া উপযোগী এয়ার কন্ডিশনার আনল আইটেল অনুকূল পরিবেশ না হ‌লে ভারত যাবেন না প্রধানমন্ত্রী আমির হামজার গাড়িবহরে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি দাবি-জামায়াত সেক্রেটারির বিবৃতি বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস, ৯ উইকেটে জিতল বাংলাদেশ অর্থাভাবে থমকে যাচ্ছে চা বিক্রেতা বাবার দুই সন্তানের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল, স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

ডিডিএন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
  • ৩২ সময় দর্শন

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে সোহেল রানাকে পাঁচ লাখ এবং স্বপ্না আক্তারকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। রোববার (৭ জুন) ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

আলোচিত এই মামলার রায়কে ঘিরে সকাল থেকেই আদালতপাড়ায় ছিল বাড়তি নিরাপত্তা। কারাগার থেকে কড়া প্রহরায় দুই আসামিকে আদালতে আনা হয়। রায় ঘোষণার আগে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত রায়ের জন্য রোববার (৭ জুন) দিন ধার্য করেছিলেন।

আদালতের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, “ধর্ষণ শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো সমাজের হৃদয়কে ব্যথিত করে।” তিনি উল্লেখ করেন, সুরতহাল প্রতিবেদন ও অন্যান্য সাক্ষ্যপ্রমাণে রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। পাশাপাশি প্রধান আসামি সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও মামলার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান রায়ের পর বলেন, “সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে আমরা আসামিদের অপরাধ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। এই রায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে।”

মামলার তথ্য অনুযায়ী, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার গত ১৯ মে সকালে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। পরে সেখানে সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করে। মেয়েকে খুঁজতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা আসামিদের কক্ষের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান। কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে শিশুটির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার পর রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা করেন। প্রথমে স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয় এবং পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন সোহেল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

মামলাটির বিচারিক কার্যক্রমও ছিল দ্রুত। গত ২৪ মে অভিযোগপত্র দাখিলের পর ১ জুন অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর সাক্ষ্যগ্রহণ, আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক শেষে ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় রায় ঘোষণা করা হলো। আদালত সূত্রে জানা গেছে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় দুই আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ডের অর্থ ভুক্তভোগী শিশুর আইনগত উত্তরাধিকারীদের দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন আদালত।

আলোচিত এই মামলার রায়ের মধ্য দিয়ে শিশু নির্যাতন ও নারী সহিংসতার ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার প্রশ্নটি আবারও সামনে এলো। একই সঙ্গে এমন অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা হিসেবেও আদালতের এই রায়কে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host