1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অর্থাভাবে থমকে যাচ্ছে চা বিক্রেতা বাবার দুই সন্তানের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন কুষ্টিয়া সদর আসনে আমিই প্রধানমন্ত্রী: আমির হামজা শিক্ষকদের অবসর সুবিধার টাকা পেতে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী র‌্যাবের পরিবর্তে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ গঠনের উদ্যোগ সীতাকুণ্ডে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু, জাহাজে মিলেছে বিষাক্ত হাইড্রোজেন সালফাইড প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় আ.লীগ নেতা টানা তিন দফা বাড়ার পর কমল স্বর্ণের দাম চট্টগ্রামে শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে নিহত বেড়ে ৭ একসঙ্গে ৫৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে অবসরে পাঠাল সরকার দক্ষিণ সুদান ও আবেই মিশন এলাকা পরিদর্শন শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান

অর্থাভাবে থমকে যাচ্ছে চা বিক্রেতা বাবার দুই সন্তানের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন

ভাঙ্গুড়া প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ১ সময় দর্শন

এক হাতে চায়ের কাপ, অন্য হাতে সংসারের হাল। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চা বিক্রি করে যে সামান্য আয় হয়, তা দিয়েই কোনোভাবে সংসার চালান পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ গ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পরিবারের সন্তানদের বাবা বিপ্লব বসাক। সীমাহীন অভাব-অনটনের মধ্যেও সন্তানদের পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন তিনি। তবে দেশের দুটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পাওয়া তাঁর দুই সন্তানের উচ্চশিক্ষার খরচ জোগাতে গিয়ে এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এই চা বিক্রেতা।

বিপ্লব বসাকের দুই সন্তান প্রদুৎ বসাকী ইমন ও বন্যা বসাকী মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশের দুটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছেন। ছেলে প্রদুৎ বসাকী বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগে এবং মেয়ে বন্যা বসাকী মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগে পড়াশোনা করছেন।

দুই সন্তানের এমন সাফল্যে পরিবারে আনন্দের পাশাপাশি এখন নেমে এসেছে দুশ্চিন্তার ছায়া। সংসারের নিত্যদিনের খরচ, দুই সন্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতন ও একাডেমিক ব্যয়, থাকা-খাওয়া এবং যাতায়াত—সব মিলিয়ে বিপুল খরচ বহন করা চা বিক্রি করে উপার্জন করা বিপ্লব বসাকের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে।

অভাবের সংসারে সন্তানদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণ করতে গিয়ে প্রতিদিনই সংগ্রাম করছেন তিনি। কিন্তু অর্থের অভাবে যদি তাদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে মেধাবী এই দুই তরুণ-তরুণীর সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে।

স্থানীয়রা জানান, দরিদ্র পরিবারের সন্তান হয়েও দুই ভাই-বোনের এমন সাফল্য নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও মানবিক মানুষদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুজ্জামান বলেন, “অবহেলিত ও দরিদ্র পরিবার থেকে দুই সন্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া পুরো ভাঙ্গুড়া উপজেলার জন্য গর্বের বিষয়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাওয়া গেলে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারি আর্থিক সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, এই অদম্য মেধাবীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণে সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

অভাব যেন কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়—এমন প্রত্যাশা পরিবারটির। সামর্থ্যবানদের সহযোগিতা পেলে প্রদুৎ ও বন্যা তাদের পড়াশোনা শেষ করে পরিবার, সমাজ ও দেশের জন্য নিজেদের মেধা কাজে লাগাতে পারবেন বলে আশা করছেন স্বজন ও স্থানীয়রা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host