পোশাকখাতের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখা ও দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে উসকানিমূলক আন্দোলন পরিহার করে পোশাকশ্রমিকদের অবিলম্বে স্ব-স্ব কর্মস্থলে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী। সরকার শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির প্রতি পূর্ণ সহানুভূতিশীল এবং ইতোমধ্যেই নতুন নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠনসহ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শ্রমমন্ত্রী বলেন, শ্রমিক ভাই-বোনদের যেকোনো যৌক্তিক দাবি-দাওয়া আলোচনার টেবিলে সমাধানের সুযোগ রয়েছে। কোনো প্রকার গুজবে কান না দিয়ে বা সড়ক অবরোধের মতো কর্মসূচি না পালন করে শিল্পকারখানার উৎপাদন বজায় রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। কারখানা বন্ধ থাকলে বা উৎপাদন ব্যাহত হলে মালিক-শ্রমিক উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
মন্ত্রী জানান, পোশাকশ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা তদারকির জন্য সরকারের পাশাপাশি বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ-র সাথে নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বকেয়া পাওনা পরিশোধের পাশাপাশি শ্রমিকদের চিকিৎসার মান উন্নয়নে গাজীপুরের টঙ্গীতে ১০০ শয্যার একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
নবগঠিত নিম্নতম মজুরি বোর্ডে মালিক ও শ্রমিক উভয় পক্ষের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকায় খুব শিগগিরই একটি বাস্তবসম্মত ও সর্বজনগ্রহণযোগ্য মজুরি কাঠামো নির্ধারণ সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি এ খাতের স্থিতিশীলতা রক্ষায় শ্রমিক নেতা ও কারখানা মালিকদের ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
সূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)