1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গুড়া উপজেলা ও পৌর নির্বাচনে জামাতের আগাম প্রার্থী ঘোষনা করলেন এমপি আছগার  ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে এমপি আলী আছগারের মতবিনিময় নদীদূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার সুযোগ নেই: প্রধানমন্ত্রী কৃষি ভিসায় বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেবে ওমান, আবেদন শুরু গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ১১ দফা দাবিতে লংমার্চের ঘোষণা জেরুজালেমের পবিত্র স্থান রক্ষায় মুসলিম দেশগুলোর যৌথ পদক্ষেপ ওমানের সঙ্গে ইরানের হরমুজ পরিকল্পনা চূড়ান্তের পথে জাতীয় ঐক্যর মধ্য দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে – এমপি শিমুল বিশ্বাস দিল্লিতে গণমাধ্যমের সঙ্গে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার আলাপচারিতা নিয়ে ক্ষুব্ধ ঢাকা ভাঙ্গুড়ায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় সমর্থিত প্রার্থী ঘোষণা করলো জামায়াত

বাজার থেকে ধান কিনে খাদ্যগুদামে বিক্রির অভিযোগ

ভাঙ্গুড়া প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
  • ৩৩ সময় দর্শন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় সরকারি খাদ্যগুদামে কৃষকদের পরিবর্তে ব্যবসায়ীরা ধান বিক্রি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তারা স্থানীয় বাজার থেকে কম মূল্যে ধান কিনে কর্মকর্তাদের যোগসাজশে খাদ্যগুদামে ধান বিক্রি করছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলা খাদ্যগুদাম সরকারিভাবে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এরই মধ্যে ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে। শর্ত মোতাবেক কৃষি অফিসের মাধ্যমে নিবন্ধিত প্রত্যেক কৃষক এক মণ থেকে তিন মেট্রিক টন ধান সরকারি খাদ্যগুদামে বিক্রি করতে পারবে।

এ উপজেলায় প্রায় ৪ হাজার ৭ শত কৃষকের কৃষি কার্ড এবং তাদের নামে ব্যাংকে কৃষক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। প্রত্যেক কৃষক খাদ্যগুদামে ধান বিক্রি করার পরে খাদ্যগুদাম কর্মকর্তার মাধ্যমে কৃষকদের কৃষি অ্যাকাউন্টে টাকা পরিশোধ করার নির্দেশনা রয়েছে।

এদিকে কৃষকদের অভিযোগ, খাদ্যগুদামে সরাসরি কৃষকদের ধান বিক্রির নির্দেশনা থাকলেও তা মানছে না খাদ্যগুদাম কর্মকর্তারা। কৃষকরা ধান বিক্রি করতে গেলে কর্মকর্তারা নানা অজুহাতে ধান ফেরত দিয়ে দেয়। অথচ স্থানীয় ধান-চাল ব্যবসায়ীরা হাট বাজার থেকে ১১০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা মণ দরে ধান কিনে ১৪৪০ টাকা মণ দরে খাদ্যগুদামে বিক্রি করছে। এতে প্রতি মেট্রিক টন ধানে প্রায় তিন হাজার টাকা করে লাভ করছে ব্যবসায়ীরা। আর এই লাভের অংশ খাদ্যগুদাম কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের পকেটে যাচ্ছে।

উপজেলার দিলপাশার গ্রামের কৃষক আবু সাইদ বলেন, তিনি খাদ্যগুদামে ধান দিতে গেলে সেখানকার এক কর্মকর্তা জানান ধান নেওয়া শেষ। পরে বিষয়টি তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান।

বড়পুকুরিয়া গ্রামের মেহেদী হাসান বলেন, তিনি খাদ্যগুদামে ধান বিক্রি করতে চাইলে তারা জানান ধান নেওয়া শেষ। আর নেওয়া হবে না।

এ বিষয়ে খাদ্যগুদামের উপপরিদর্শক নিরঞ্জন কুমার ঘোষ বলেন, ধান সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে কেনা হয়। টাকাও তাদের অ্যাকাউন্টে যায়। এখানে কোনো অনিয়ম করা হয় না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুজ্জামান বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে খাদ্যগুদামের কর্মকর্তাদের ডেকে আনা হয়েছিল। বিষয়টি তিনি গুরুত্বর সহকারে দেখছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host