প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেছেন।
তিনি আজ ঢাকা থেকে কক্সবাজার পৌঁছে সকাল ১০টা ৫৩ মিনিটে সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রী প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যেই ফ্লাইট থেকে নামেন। সেখান থেকে সড়ক পথে পিএমখালীতে আসেন। বৃষ্টির মধ্যেই নিজের হাতে কোদাল দিয়ে পাতলী খাল পুনঃখনন কাজ শুরু করেন। পরে তিনি খালের পাড়ে একটি খেজুর গাছের চারা রোপণ করেন।
পুনঃখনন উপলক্ষ্যে খালের পাড়ে বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করেই পাতলী গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ সমবেত হয়। তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দেখতে সকাল থেকে বৃষ্টির মধ্যেই ছাতা মাথায় অপেক্ষায় ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী এসে পৌঁছালে খাল পাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা গ্রামবাসী তাঁকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। তাদের চোখে মুখে ছিলো উচ্ছ্বাস। এ সময় তারা স্লোগান ধরেন- ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম।’
খাল খননের সময় উপস্থিত ছিলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, বেসরকারি বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক এবং ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল উদ্দিন, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল ও চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান।
উল্লেখ্য, ঐতিহাসিক পাতলী খাল ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পিএমখালীতে এসে ৪৮ বছর আগে ১৯৭৯ সালের নভেম্বর মাসে নিজের হাতে কোদাল দিয়ে পাতলী খাল খনন কাজের সূচনা করেছিলেন। সেই সময়ে প্রেসিডেন্ট খালের পাড়ে একটি খেজুর গাছও রোপণ করেন। এটি আজ ৪৮ বছর পরও কালের সাক্ষী হয়ে বেঁচে আছে।
এই খাল পুনঃখননে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ উপকৃত হবে বলে জানান পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় প্রকৌশলীরা।