দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা।
শনিবার (১৬ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দর ঘোষণা করে বাজুস। সংগঠনটি জানিয়েছে, সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।
নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম রাখা হয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৫ মে) স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে আবারও বড় ধরনের মূল্যহ্রাস এলো বাজারে।
স্বর্ণের পাশাপাশি কমেছে রুপার দামও। বাজুস জানিয়েছে, প্রতি ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন দরে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হবে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকায়। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৬০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৪৪১ টাকা।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৬৫ দফা স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ৩৫ বার দাম বেড়েছে এবং ৩০ বার কমেছে। অন্যদিকে, রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে ৩৯ বার। এর মধ্যে ২১ বার বেড়েছে এবং ১৮ বার কমেছে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা এবং স্থানীয় পর্যায়ে পিওর গোল্ডের দামের পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি দেশের স্বর্ণবাজারে পড়ছে। ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে দামে বড় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।