1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

দেশে মাদকসেবী ৮২ লাখ, ৬০ ভাগই তরুণ

ডিডিএন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২ সময় দর্শন

দেশে মাদক ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৮২ লাখ। এদের মধ্যে বড় অংশ তরুণ। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মাদক হলো গাঁজা। যারা মাদক ব্যবহার করে, তাদের ৬০ ভাগই ১৮ বছরের কম বয়সে মাদকসেবন শুরু করেন। তবে চিকিৎসা সেবার আওতায় আসছে খুবই নগন্য সংখ্যক মানুষ।

আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর শাহবাগে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে ‘বাংলাদেশে মাদক অপব্যবহারকারী ব্যক্তিদের সংখ্যা, ধরণ ও সংশ্লিষ্ট কারণসমূহ’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। মানবদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অর্থায়নে গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফ।

গবেষণায় দেশের আট বিভাগে ১৩ জেলা ও ২৬ উপজেলা থেকে ৫ হাজার ২৮০ জনের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এতে কোয়ান্টিটেটিভ এবং কোয়ালিটেটিভ—উভয় পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে।

গবেষক দলের প্রধান, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ডিন অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী বলেন, দেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মাদক হলো গাঁজা। এর পরের অবস্থানে রয়েছে ইয়াবা, হেরোইন, ফেনসিডিল এবং কোডিনজাত কাশি সিরাপ।

তিনি আরও বলেন, ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি।

গবেষণার তথ্যে দেখা যায়, শহরাঞ্চলে মাদক ব্যবহারকারীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও গ্রামাঞ্চলেও এর বিস্তার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সবচেয়ে বেশি মাদক ব্যবহারকারী রয়েছে ঢাকা বিভাগে, আর সর্বনিম্ন বরিশাল বিভাগে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলা ও বড় শহরের আশপাশের এলাকাগুলোতে মাদক ব্যবহার ও সরবরাহের ঝুঁকি বেশি বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

গবেষণায় উঠে এসেছে, ৬০ শতাংশের বেশি মাদক ব্যবহারকারী ১৮ বছরের আগেই প্রথমবার মাদক গ্রহণ করে। মাদক গ্রহণের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বন্ধুদের প্রভাব, কৌতূহল, পারিবারিক অশান্তি ও মানসিক চাপ।

গবেষণায় বলা হয়েছে, মাদকাসক্তদের বড় একটি অংশ কখনোই চিকিৎসা বা পুনর্বাসন সেবা নেয় না। যারা নেয়, তাদের অনেকেই প্রয়োজনীয় এবং ধারাবাহিক সেবা পান না। এর ফলে পুনরায় মাদক গ্রহণে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাদক সমস্যা শুধু আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়; এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা। প্রতিরোধের পাশাপাশি চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং সামাজিক পুনঃঅন্তর্ভুক্তির ওপর জোর দিতে হবে। একই সঙ্গে কিশোর ও তরুণদের লক্ষ্য করে সচেতনতামূলক কর্মসূচি জোরদার করার আহ্বান জানান তাঁরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host