এনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সোমবার বেলা ১১টার পর জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বললেন, “নির্বাচন কমিশনের ওপর আমাদের আস্থা আছে। আমরা এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনকে দেখেছি যে, মোটামুটিভাবে তারা যোগ্যতার সঙ্গেই কাজ করছে।”
মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, “আমাদের কাছে যে বিষয়গুলোতে সমস্যা মনে হয়েছে, তা আমরা রোববার (১৮ জানুয়ারি) তাদের কাছে তুলে ধরেছি। আমরা বিশ্বাস করি, নির্বাচন কমিশন যোগ্যতার সঙ্গে এই নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম হবে।”
দলীয় কিছু প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এরপর তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনে যখন বাছাই হয়, তখন কিছু সমস্যা থাকে। এটা নতুন কোনো ব্যাপার না।
মির্জা ফখরুল বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার নাম সবসময় স্মরণ করতে হয়। বিশেষ করে তিনি সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন এবং অর্থনীতিতে তলাবিহীন ঝুড়ি উপাধি পাওয়া দেশকে একটি সমৃদ্ধির অর্থনীতিতে পরিণত করেছিলেন। তার দেখানো পথেই সামনের দিকে এগিয়ে যাই।
তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ঘোষণা এসেছে এবং ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালিয়ে গেছে। এখন আবার নতুন করে ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতির বাংলাদেশকে গড়ে তোলার জন্য, নতুন করে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য আমরা এখানে শপথ নিয়েছি। এর মাধ্যমে দেশে বিএনপি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ববাস্তবায়ন করবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমেদ, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, বিএনপি মহাসচিবের নেতৃত্বে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে তার সামাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে বিএনপি। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।