1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তাড়াশে ধানের শীষ প্রার্থী ভিপি আইনুলের জনসভা ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে স্বৈরাচার আর ফিরবে না: প্রেস সচিব একটাই ধ্বনি হবে-১০ দলীয় ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ: সারজিস আলম ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়-বাংলাদেশ সকল মানুষের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি : প্রধান উপদেষ্টা সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে শান্তিতে থাকতে চাই: তারেক রহমান নির্বাচনে এবার ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন ঘিরে ১২ দিন মাঠে থাকবে যৌথ বাহিনী পাবনা-৩ আসনে বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিস্কার টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলছে না বাংলাদেশ

স্কুলে অনুপস্থিত থাকায় শিক্ষিকার বার্ষিক বেতনবৃদ্ধি স্থগিত

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২১
  • ৫৭৫ সময় দর্শন
ডিডিএন নিউজ ডেস্ক : বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির কারণে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার বৈরাগীপুঞ্জি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আমেনা খাতুনের দুই বছরের বার্ষিক বেতনবৃদ্ধি স্থগিত করা হয়েছে। বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতির অভিযোগে ওই  শিক্ষিকাকে এ দণ্ড দেওয়া হয়।

জানা যায়, স্কুলে বছরের পর বছর ধরে অনুপস্থিত থাকায় ২০১৯ সালে বৈরাগী পুঞ্জি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনা খাতুন ঝুনু, সহকারী শিক্ষিকা সীমা নাথ, মো. আজাদ হাসান চৌধুরী, মোছা: হেনা আক্তারসহ ৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্কুলে অনুপস্থিতির অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করে শিক্ষা অধিদফতর।

তাদের দাবী স্কুলে তেমন ছাত্র নেই এবং দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যেতে ভয় করে এমন অজুহাতে তারা স্থানীয় এক দপ্তরীকে মাসোয়ারা দিয়ে ও শিক্ষা অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের ‘ম্যানেজ’ করে বছরের পর বছর ধরে এ অনিয়ম চালিয়ে আসছিলেন। স্থানীয়দের অভিযোগের পর তারা কেন স্কুলে নিয়মিত যান না সে বিষয়ে উপযুক্ত কারণ দর্শাতে বলা হয়। কিন্তু তারা সুনির্দিষ্ট কোন ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

ঘটনার পরপরই তাদের বেতন ও সরকারি সব সুযোগ-সুবিধা বন্ধের সুপারিশ করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। পরে অভিযোগের বিষয়টি সরেজমিন তদন্ত করা হয়। অভিযোগের সত্যতা পেয়ে আমেনা বেগমের বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়। এ মামলায় তার দুই বছরের বার্ষিক বেতনবৃদ্ধি স্থগিত করা হয়। এর মধ্যে বাকী শিক্ষকরা তদবির ও শীর্ষ পর্যায়ে লবিং করে আনিত অভিযোগ থেকে মুক্তি পান।

বৈরাগীপুঞ্জি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আমেনা খাতুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি তার জানা নেই বলে জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ মাসুদ রানা বলেন, গত ২০১৯ সালের ২১ জানুয়ারি ৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে। এ প্রেক্ষিতে স্কুল ফাঁকির বিষয়টি বিগত ২১ জানুয়ারি তৎকালীন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রাজ্জাক ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ মাসুদ রানাসহ তাদের প্রতিনিধি দল স্কুলে গিয়ে তালাবন্ধ দেখতে পান। এরপর তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু হয়। ইতিমধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে পর্যায়ক্রমে সকলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 


 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host