1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদপুরে অটোভ্যান চালকের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় যুবক আটক ফরিদপুরে অটোভ্যানচালক কিশোরের লাশ উদ্ধার পাবনা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন স্মারকলিপি নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে শেভরনকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আদানির গোড্ডা কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ১১ দলীয় ঐক্যের দ্বিতীয় লংমার্চের ঘোষণা আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে ধর্মঘট-হরতাল অবৈধ : হাইকোর্ট গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে হবে: রাষ্ট্রপতি এসএসসি পুনঃনিরীক্ষায় বদলে গেল শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ খানমরিচ ইউনিয়ন বিএনপির নবনির্বাচিত কমিটিকে সংবর্ধনা

পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় আইন প্রণয়নের উদ্যোগ

ডিডিএন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৮ সময় দর্শন

পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ‘বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড আইন, ২০২৬’- এর খসড়া ইতোমধ্যেই প্রণয়ন করা হয়েছে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ আরও সুরক্ষিত করা, বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড (সিএমএসএফ)-কে অধিক কার্যকর ও স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর এবং অব্যবহৃত নগদ লভ্যাংশ, শেয়ার ও অন্যান্য আর্থিক সম্পদের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এই আইনের খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত সিএমএসএফ আইন, ২০২৬-এর খসড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে প্রকাশ করা হয়েছে। বর্তমানে এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে যাচাই ও নীতিগত পর্যালোচনার পর্যায়ে রয়েছে।

পুঁজিবাজারের সাথে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত আইনটি কার্যকর হলে সিএমএসএফ বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে একটি আধুনিক নগদ লভ্যাংশ বিতরণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাবে। এর মাধ্যমে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর নগদ লভ্যাংশ বিতরণ প্রক্রিয়া আরও ডিজিটাল, স্বচ্ছ ও কেন্দ্রীভূত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

খাত সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, বিনিয়োগকারীরা একটি অর্থবছরে প্রাপ্ত লভ্যাংশের ওপর উৎসে কর্তন করা করের সম্পূর্ণ কর চালান এবং কর কর্তন সনদ একটি একক প্ল্যাটফর্ম থেকে পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এতে করসংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সহজ হবে এবং স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে।

খসড়া আইনে সিএমএসএফকে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফান্ডের কার্যক্রম, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক কাঠামো, পরিচালনা, তদারকি ও জবাবদিহির বিষয়গুলো আইনি কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত পড়ে থাকা নগদ লভ্যাংশ, বোনাস শেয়ার, রাইটস শেয়ার, রিফান্ড অর্থ, আইপিও ও কোয়ালিফায়েড ইনভেস্টর অফারের (কিউআইও) অনাদায়ী অর্থসহ বিভিন্ন আর্থিক সম্পদ সিএমএসএফের অধীনে ব্যবস্থাপনা করা হবে। এসব সম্পদের প্রকৃত মালিক বা উত্তরাধিকারীরা নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় দাবি উত্থাপন করলে যাচাই-বাছাই শেষে তা ফেরত পাওয়ার সুযোগও থাকবে।
খসড়া আইনে ফান্ডের পরিচালনার জন্য একটি পরিচালনা পর্ষদ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। পর্ষদে চেয়ারম্যান, কমিশনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন আর্থিক ও পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং স্বতন্ত্র সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। একই সঙ্গে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে ফান্ডের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, সিএমএসএফের অর্থ পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষা, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং কমিশনের অনুমোদনক্রমে নিরাপদ ও অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগ করা যাবে। ফান্ড পরিচালনায় নিরীক্ষা, হিসাব সংরক্ষণ, বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ এবং প্রয়োজনীয় তথ্য প্রকাশের বাধ্যবাধকতাও রাখা হয়েছে।

খসড়া আইনে নির্ধারিত বিধান লঙ্ঘন, তথ্য গোপন বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান এবং ফান্ড-সংশ্লিষ্ট সম্পদের অপব্যবহারের ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থারও বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যমান বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড) বিধিমালা, ২০২১ রহিত করে নতুন আইন কার্যকর করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনটি কার্যকর হলে সিএমএসএফের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে, অব্যবহৃত বিনিয়োগকারীর সম্পদের সুশাসন নিশ্চিত হবে এবং দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এ বিষয়ে সিএমএফ-এর অপারেশন বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মো. ওয়াসি আজম রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে বলেন, প্রস্তাবিত আইনটি কার্যকর হলে সিএমএসএফ বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে একটি আধুনিক নগদ লভ্যাংশ বিতরণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাবে। এর মাধ্যমে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর নগদ লভ্যাংশ বিতরণ প্রক্রিয়া আরও ডিজিটাল, স্বচ্ছ ও কেন্দ্রীভূত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীরা একটি অর্থবছরে প্রাপ্ত লভ্যাংশের ওপর উৎসে কর্তন করা করের সম্পূর্ণ কর চালান এবং কর কর্তন সনদ একটি একক প্ল্যাটফর্ম থেকে পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এতে করসংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সহজ হবে এবং স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host