1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাটমোহর উপজেলা ও পৌর যুবদলের দুই শীর্ষ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার আজ ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পাবনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রস্তুতি সভা পাবনায় আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষের মুখোমুখি এ্যাড. শিমুল বিশ্বাস এমপি ভাঙ্গুড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী যুবদল নেতা শামীম মোল্লার মোটরসাইকেল শোডাউন দুই মাসে ২২৫০টিরও বেশি ল্যাপটপ বিতরণ করল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি   ফরিদপুরে ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে হারোডাঙ্গা একতা উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু মাঠ পর্যায়ে সেবার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ভাঙ্গুড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গুরুত্বপূর্ণ সভা মুক্তিযুদ্ধের অগ্রদূত শহীদ জিয়ার ব্যবহৃত কিংবদন্তি মোটর গাড়িটি ইতিহাসের রাজশাক্ষী আন্দোলন পরিহার করে পোশাকশ্রমিকদের অবিলম্বে কাজে ফেরার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর

সাঁথিয়ায় বিষধর সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু

ডিডিএন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
  • ৫৭ সময় দর্শন

বনার সাঁথিয়ায় মাছ ধরতে গিয়ে বিষধর সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তিনি উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নেরে চরকাবারি কোলা গ্রামের হেলাল মোল্লার ছেলে রুহান মোল্লা (২৬)। পরিবারের অভিযোগ, সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেওয়ার পরে কোনো চিকিৎসা না দিয়ে চিকিৎসক কাওসার তাকে পাবনা মেডিকেলে হস্তান্তর করেন।

সাঁথিয়া হাসপাতালে সাপের অ্যান্টিভেনম বা (প্রতিষেধক) থাকার পরও রুহানের শরীরে তা প্রয়োগ না করেই পাবনায় হস্তান্তর করায় অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন

গ্রামের মাঠে বের হয়। ইতিমধ্যে পোটল ক্ষেত থেকে তাকে বিষধর সাপ কামড় দেয়। এ ঘটনায় রুহান বাড়িতে এসে সাপের কামড়ের কথা পরিবারের সদস্যদের কাছে বললে তারা তাকে প্রথমে স্থানীয় ওঝাঁর কাছে নিয়ে যায়।

সেখানে ওঝাঁ রুহানকে কবিরাজি চিকিৎসা প্রদান করেন। এতে তিনি আরও অসুস্থ হলে রুহানকে শুক্রবার রাত তিনটার দিকে সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কাওসার পেসার মেপে সঙ্গে সঙ্গে পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হস্তান্তর করেন। পাবনা যাওয়ার পথে মাধপুরেই সাপের বিষে কাতর হয়ে রুহান মারা যান। পরিবারের অভিযোগ, সাঁথিয়া হাসপাতালে সাপের অ্যান্টিভেনম বা (প্রতিষেধক) থাকার পরও তা রোগীর শরীরে প্রয়োগ না করায় তিনি মারা যান।

রুহানের বাবা হেলাল মোল্লা জানান, সাপের কামড়ের কথা বলার পরও চিকিৎসক কাওসার আমার ছেলেকে বাঁচাতে সাপের প্রতিষেধক প্রয়োগ করেননি। সাপের অ্যান্টিভেনম সময় মতো প্রয়োগ করলে আমার ছেলে মারা যেত না।

সাঁথিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন জানান, রাতে দায়িত্বরত চিকিৎসক রুহানের শরীরে সাপের কামড়ের তেমন কোনো নমুনা পায়নি। তিনি ধারণা করেছিলেন, রোগী ইয়াবা সেবন করেছিল। আব্দুল বাতেন দাবি করেন, সাঁথিয়া হাসপাতালে সাপের অ্যান্টিভেনম এখনও রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host