1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গুড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা  স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের যাত্রাপথে  শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান অবিস্মরণীয় চাটমোহর উপজেলা ও পৌর যুবদলের দুই শীর্ষ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার আজ ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পাবনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রস্তুতি সভা পাবনায় আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষের মুখোমুখি এ্যাড. শিমুল বিশ্বাস এমপি ভাঙ্গুড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী যুবদল নেতা শামীম মোল্লার মোটরসাইকেল শোডাউন দুই মাসে ২২৫০টিরও বেশি ল্যাপটপ বিতরণ করল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি   ফরিদপুরে ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে হারোডাঙ্গা একতা উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু মাঠ পর্যায়ে সেবার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ভাঙ্গুড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গুরুত্বপূর্ণ সভা

ভারতীয় সাংস্কৃতিক আগ্রাসন মোকাবিলায় একুশের চেতনা ধারণ করতে হবে-

ডিডিএন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
  • ৩৭ সময় দর্শন

বাংলাদেশ সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ বলেছেন, আধিপত্যবাদী ভারত সব দিক থেকে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন আমাদের ওপর চালিয়ে যাচ্ছে। সেই আগ্রাসনকে মোকাবিলা করতে হলে আমাদেরকে একুশের চেতনাকে ধারণ করতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে তাদের শক্তিশালী স্যাটেলাইট টিভি, হিন্দি চলচ্চিত্র, বিশাল বাণিজ্যিক বাজারের মাধ্যমে এই আগ্রাসন চালাচ্ছে। ভারত কিন্তু আমাদের দেশকে সরাসরি দখল করবে না। তারা যেটা চাচ্ছে যে এই যে আমাদের ২০ কোটি লোকের বাজারটাকে তারা নিয়ন্ত্রণ করবে। এজন্য এই বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে হলে সংস্কৃতিটা একটা উল্লেখযোগ্য।

বুধবার বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত ‘সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রোধ বিষয়ক’ সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।

সৈয়দ আবদাল আহমদ বলেন, নিজের অস্তিত্ব চেনার সবচেয়ে বড় ভিত্তি হলো তার সাংস্কৃতিক পরিচয়। সাংস্কৃতিক পরিচয় মানুষকে তার দেশ, তার পূর্বপুরুষদের ইতিহাস এবং ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত করে। নিজের সংস্কৃতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকলে মানুষ হীনমন্যতায় ভোগে না এবং যেকোনো সম্পর্কে যেকোনো সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে। ফলে নিজস্ব সাহিত্য, শিল্পকলা, লোকসংগীত প্রজন্ম থেকে প্রজন্মকে সৃষ্টিশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।

তিনি বলেন, নিজস্ব অস্তিত্ব, জাতীয় পরিচয় এবং নৈতিক মূল্যবোধ রক্ষা করার জন্য সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রোধ করা জরুরি। কারণ কোনো যুদ্ধ বা রক্তপাত ছাড়াই একটি দেশের সমাজ ব্যবস্থাকে মানসিকভাবে এবং সরাসরি বলা যায় যে পরাধীন করে ফেলার সবচেয়ে সুস্পর্শ হাতিয়ার হচ্ছে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন। বিদেশি সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণে মানুষ যখন নিজের ঐতিহ্য ভুলতে শুরু করে তখন জাতির নিজস্ব স্বকীয়তা হারিয়ে যায়। আগ্রাসনের ফলে নিজের মাতৃভাষার চেয়ে বিদেশি ভাষার ব্যবহারকে আধুনিকতার প্রতীক মনে করা হয়। তাই যেকোনো মূল্যে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রোধ করা আবশ্যক।

তিনি আরো বলেন, উন্নত দেশ বা আধিপত্য শক্তি অনেক সময় অনুন্নত দেশ বা ছোট দেশগুলোকে তাদের ব্যবসায় ও রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে সাংস্কৃতিক সংস্কৃতিকে ব্যবহার করে।

প্রধান তথ্য কর্মকর্তা বলেন, নতুন প্রজন্মকে নিজেদের বীরত্বগাথা বা ইতিহাস, ঐতিহ্য বেশি বেশি করে জানাতে হবে, শেখাতে হবে। এটা করতে না পারলে বিদেশি সংস্কৃতি দ্বারা প্রভাবিত হবে এবং একসময় দেখা যাবে আমাদের মানুষ দেশপ্রেমহীন হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, পাকিস্তান আমলে আমাদের মাতৃভাষা ও জাতিগত আত্মপরিচয়ের ওপর রাষ্ট্রীয় সাংস্কৃতিক আগ্রাসন হয়েছিল। উর্দু ভাষাকে আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার এক গভীর ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল, যা আমরা ৫২-এর ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে রুখে দিয়েছিলাম। তখন থেকেই একুশের চেতনার সৃষ্টি হয়েছিল। আজও এই ধরনের আগ্রাসনকে মোকাবেলার জন্য একুশের চেতনাকে আমরা সবসময় ধারণ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই বিষয়টাকে খুব গুরুত্ব দিয়েছিলেন। আমাদের যারা মুরুব্বি ছিলেন তাদের পরামর্শে প্রেসিডেন্ট জিয়া বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের একটা দর্শন দিয়েছিলেন। ফলে সংস্কৃতি দর্শন আঁকড়ে ধরার মাধ্যমে নিজস্ব সংস্কৃতি ও অস্তিত্ব রক্ষা করা সম্ভব। সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রোধ রোধে এটা আমাদের অন্যতম রক্ষা কবজ।

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল বলেন, সংস্কৃতি একটি জাতির আত্মপরিচয়ের ভিত্তি। একটি জাতির ভাষা, সাহিত্য, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ, পোশাক, খাদ্যাভ্যাস, শিল্প, সংগীত, উৎসব ও জীবনযাপন মিলেই তার সংস্কৃতি গড়ে ওঠে। বর্তমান বিশ্বায়ন, তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ এবং বৈশ্বিক যোগাযোগের ফলে বিভিন্ন সংস্কৃতির মধ্যে পারস্পরিক আদান-প্রদান বেড়েছে।

তিনি বলেন, সংস্কৃতি নির্মাণে বড় ভূমিকা পালন করে পরিবার। এছাড়া আমাদের দেশিয় সংস্কৃতি ধরে রাখতে সবাইকে গুরুত্ব দিতে হবে। বাঙালি সাংস্কৃতির শিকড় অনেক গভীরে। এই সাংস্কৃতি ধ্বংস করতে নানা সময়ে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। ফলে বাঙালি সাংস্কৃতি ধরে রাখতে হলে বিদেশি সাংস্কৃতির বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন, দৈনিক সবুজ বাংলাদেশের সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদ, প্রতিদিনের বাংলাদেশের স্টাফ রিপোর্টার ফারুক আহমদ আরিফ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সদস্য এইচ.এম আল-আমিন, আমার দেশ-এর স্টাফ রিপোর্টার পীর জুবায়ের।

সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host