1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পাবনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রস্তুতি সভা পাবনায় আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষের মুখোমুখি এ্যাড. শিমুল বিশ্বাস এমপি ভাঙ্গুড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী যুবদল নেতা শামীম মোল্লার মোটরসাইকেল শোডাউন দুই মাসে ২২৫০টিরও বেশি ল্যাপটপ বিতরণ করল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি   ফরিদপুরে ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে হারোডাঙ্গা একতা উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু মাঠ পর্যায়ে সেবার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ভাঙ্গুড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গুরুত্বপূর্ণ সভা মুক্তিযুদ্ধের অগ্রদূত শহীদ জিয়ার ব্যবহৃত কিংবদন্তি মোটর গাড়িটি ইতিহাসের রাজশাক্ষী আন্দোলন পরিহার করে পোশাকশ্রমিকদের অবিলম্বে কাজে ফেরার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক ও মালিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি পাবনা জেলা জামায়াতের নতুন আমীর অধ্যাপক নজরুল ইসলাম

জীবননগরে হলুদ জাতের মাল্টা চাষে তরুণ উদ্যোক্তাদের সাফল্য

ডিডিএন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৪০ সময় দর্শন

চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগরে হলুদ জাতের মাল্টা ও কমলা চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তরুণ কৃষি উদ্যোক্তারা। স্বাদে-গন্ধে অনন্য হওয়ায় ভোক্তাদের নজর কাড়ছে এই হলুদ মাল্টা ও কমলা। এসব কারণে জীবননগরে বিভিন্ন ফলের আবাদ বেড়েই চলেছে।

জেলায় ফলের রাজধানী হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেছে জীবননগর। আর এই ফল বাগান দেখতে বিভিন্ন এলাকা থেকে ভিড় করছে দর্শনার্থী ও ক্রেতারা। এখান থেকে ফলের চারা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চাষ হচ্ছে।

এই মাল্টা ও কমলাসহ নানান ফল চাষ করে জেলার অনেক বেকার তরুণ আজ স্বাবলম্বী হয়েছে।

এখানে পেয়ারা, আঙুর, মাল্টা, ড্রাগন, আনার, রকমেলনসহ বিভিন্ন জাতের ফল চাষে ইতিমধ্যে সফলতা দেখিয়েছেন উদ্যোক্তারা। এবার হলুদ মাল্টা ও কমলা চাষে সফলতা পেয়েছেন জীবননগর উপজেলার তরুণ কৃষি উদ্যোক্তারা।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, জীবননগর উপজেলায় এ বছর ৩৩০ হেক্টর জমিতে কমলা ও মাল্টার আবাদ হয়েছে। সাইট্রাস ফসলের মধ্যে মাল্টা অন্যতম জনপ্রিয় ফল। বিশ্বের সর্বমোট উৎপাদিত সাইট্রাস ফসলের দুই তৃতীয়াংশ হলো মাল্টা। ভিয়েতনাম, উত্তর পশ্চিম ভারত ও দক্ষিণ চীন মাল্টার আদি উৎপত্তি স্থল। তবে বর্তমানে এই ফলটি বিশ্বের উষ্ণ ও অব-উষ্ণমণ্ডলীয় এলাকায় বেশি চাষ হচ্ছে। বাংলাদেশে এই ফলটির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে এবং দিন দিন এর চাষ বেড়ে চলেছে। এখানকার কৃষকরা মাল্টা চাষ করে সফল হচ্ছেন। এই এলাকার মাল্টা মিষ্টি ও সুস্বাদু হয়ে থাকে। জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া, কেডিকে, বাঁকা, উথলী ও রায়পুর ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি মাল্টার চাষ হয়েছে।

মানিকপুর গ্রামের উদ্যোক্তা সজলের হলুদ মাল্টা এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। দূর-দূরান্ত থেকে প্রতিদিন দল বেঁধে অসংখ্য দর্শনার্থী ছুটে আসছেন এই বাগানে। হলুদ মাল্টা চাষে সজলের এই সাফল্য তাদেরও অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে।

বিসমিল্লাহ নার্সারী ও ফলের বাগানের ম্যানেজার শৈশব আহমেদ বাসসকে বলেন, দেশি ও বিদেশি ১ হাজার ৩শ রকমের ফলের গাছ আছে আমাদের বাগানে। প্রজেক্ট আকারে ১৪০ বিঘা জমিতে ফলের বাগান রয়েছে।

উপজেলার এইসব ফলের বাগান দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছে দর্শনার্থীরা। বাগান দেখতে আসা দর্শনার্থীরা বাসসের সাথে আলাপকালে বলেন, আমাদের এলাকায় যে এমন মাল্টা হয় এটা কল্পনাই করা যায় না। এসব বাগান দেখে আমরা খুবই আনন্দিত এবং বাগানের মাল্টা খেতেও সুস্বাদু মিষ্টি। এই বাগান দেখে খুবই ভালো লাগছে।

কৃষি উদ্যোক্তা সজল আহমেদ বলেন, এক বিঘা জমিতে ১০০ থেকে ১২০টি মাল্টার চারা লাগানো যায়। ফল আসা পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ টাকা খরচ হয়। আড়াই বছর বয়সে ফল ধরা শুরু হয়। আর তিন থেকে চার বছরে পুরোপুরি ফলন আসে। এক বিঘা জমি থেকে বছরে পাওয়া যায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার মাল্টা।

জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ভৌগলিক কারণে জীবননগরে পুষ্টিকর এ বিদেশি ফল মাল্টা চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। জীবননগরে চলতি মৌসুমে ৩৩০ হেক্টর জমিতে মাল্টা ও কমলা চাষ করা হয়েছে। আগামিতে উপজেলায় মাল্টা চাষ আরও বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া ব্যাপকভাবে মাল্টা উৎপাদন করা গেলে আমদানি নির্ভরতা কমবে। পাশাপাশি দেশে পুষ্টির চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host