1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাটমোহর উপজেলা ও পৌর যুবদলের দুই শীর্ষ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার আজ ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পাবনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রস্তুতি সভা পাবনায় আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষের মুখোমুখি এ্যাড. শিমুল বিশ্বাস এমপি ভাঙ্গুড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী যুবদল নেতা শামীম মোল্লার মোটরসাইকেল শোডাউন দুই মাসে ২২৫০টিরও বেশি ল্যাপটপ বিতরণ করল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি   ফরিদপুরে ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে হারোডাঙ্গা একতা উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু মাঠ পর্যায়ে সেবার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ভাঙ্গুড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গুরুত্বপূর্ণ সভা মুক্তিযুদ্ধের অগ্রদূত শহীদ জিয়ার ব্যবহৃত কিংবদন্তি মোটর গাড়িটি ইতিহাসের রাজশাক্ষী আন্দোলন পরিহার করে পোশাকশ্রমিকদের অবিলম্বে কাজে ফেরার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর

আগামীকাল ৬ নভেম্বর আটঘরিয়ায় যুদ্ধ দিবস

পাবনা প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩১৩ সময় দর্শন

আগামীকাল ৬ নভেম্বর আটঘরিয়া যুদ্ধ দিবস। ১৯৭১ সালে আটঘরিয়া উপজেলার বংশিপাড়া গ্রামে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন এবং নিহত হন অর্ধিশতাধি হানাদার বাহিনী।

১৯৭১ সালে নভেম্বর মাসে সাড়া দেশে যুদ্ধ ক্রমেই দানা বেধে আসছে। ভারত থেকে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ছোট ছোট মুক্তি বাহিনীর দল আটঘরিয়া উপজেলায় অবস্থান করছিলেন। ৩ নভেম্বর আটঘরিয়ার চাঁদভা ইউনিয়নের বেরুয়ান গ্রামে মুক্তি যোদ্ধারা ৯ জন রাজাকারকে হত্যা করে। প্রতিশোধ নেয়ার জন্য পাক হানাদার ও রাজাকার বাহিনী ৬ নভেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধাদের খোজে বের হয়। এসংবাদ পেয়ে মুক্তিযোদ্ধারা একত্রিত হয়ে পাক হানাদারদের প্রতিরোধের পরিকল্পনা নেয়।

সেখানে মুজিব বাহিনীর প্রধান আনোয়ার হোসেন রেনু ও ঈশ্বরদী কমান্ডার ওয়ারেছ এর নেতৃত্বে শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা একত্রিত হয়ে হানাদারদের গতিপথ বংশীপাড়া চন্দ্রা নদীর পাশে ঘাটি গাড়ে। রাজাকার ও পাক হানাদাররা সামনা সামনি আসা মাত্রই মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে শুরু হয় ভয়াবহ যুদ্ধ। হানাদারদের ক্যাপন্টেন তাহের ঘটনা স্থলেই মারা যায়। কয়েক ঘন্টা ব্যাপি সম্মুখ যুদ্ধে ঘটনা স্থলেই ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।
সেদিন সম্মুখ যুদ্ধে আবুল কাশেম, আবুল খালেক, ইউনুছ আলী, নায়েব আলী, আব্দুর রশিদ, আব্দুল মালেক, শহিদুল ইসলাম, আব্দুল সাত্তার, মনসুল আলী, আব্দুর রাজ্জাক। দিনটি উপলক্ষে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের পক্ষ থেকে নানা কমূসূচী হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন স্মৃতি স্তমম্ভে পুষ্পর্স্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host