1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
 স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের যাত্রাপথে  শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান অবিস্মরণীয় চাটমোহর উপজেলা ও পৌর যুবদলের দুই শীর্ষ নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার আজ ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পাবনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রস্তুতি সভা পাবনায় আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষের মুখোমুখি এ্যাড. শিমুল বিশ্বাস এমপি ভাঙ্গুড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী যুবদল নেতা শামীম মোল্লার মোটরসাইকেল শোডাউন দুই মাসে ২২৫০টিরও বেশি ল্যাপটপ বিতরণ করল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি   ফরিদপুরে ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে হারোডাঙ্গা একতা উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু মাঠ পর্যায়ে সেবার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ভাঙ্গুড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গুরুত্বপূর্ণ সভা মুক্তিযুদ্ধের অগ্রদূত শহীদ জিয়ার ব্যবহৃত কিংবদন্তি মোটর গাড়িটি ইতিহাসের রাজশাক্ষী

 স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের যাত্রাপথে  শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান অবিস্মরণীয়

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬
  • ১ সময় দর্শন

মাহবুব উল আলম : ১৯৭১ সালে তৎকালিন পাকিস্তানের একজন সামরিক অফিসার হয়েও বিদ্রোহ ঘোষনা করে মুক্তিযুদ্ধ শুরু করা,স্বাধীনতার ঘোষনা দেওয়া ও সিপাহি-জনতার বিপ্লবের (৭ নভেম্বর) মাধ্যমে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেশ গঠনে দায়িত্ব গ্রহণ একই সূত্রে গাঁথা। দেশপ্রেম যার ব্রত,রাষ্ট্রের বিপদে তিনি থেমে থাকতে পারেন না। অবশেষে জীবন দিয়ে তিনি ইতিহাস গড়লেন। পরাধীনতা ও বৈষম্যের রাষ্ট্রে স্বাধীনতার আস্বাদনে তিনি গণতন্ত্রের জন্য যুদ্ধ করেছিলেন।

১৯৭৫ সালের পটপরিবর্তনের পর জিয়াউর রহমানের আগমনও ঘটেছে ঐতিহাসিক ভাবে। একারণে ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখিত একটি দিন। গভীর রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, অস্থিরতা এবং সাংবিধানিক সঙ্কটের মধ্য দিয়ে সেদিন দেশপ্রেমিক সিপাহী-জনতা জাতির জীবনে যে পটপরিবর্তন ঘটিয়েছিল তা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও শৃঙ্খলা সুরক্ষায় এক যুগান্তকারি ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। সেদিন দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ সিপাহী-জনতা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল। এজন্য জাতীয় স্বাধীনতা,সার্বভৌমত্ব ও অখন্ডতা সুরক্ষার অনন্য প্রতীক ‘ হয়ে রয়েছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। সেই দিন সিপাহী জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসে দেশপ্রেমের বিশ্বাসী সৈনিক জিয়াকে নতুন বাংলাদেশ গড়তেই হাল ধরতে হয়।

বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে বহুদলীয় গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিয়ে তার শাসনকালের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় সমাপ্ত করেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আওয়ামীলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ দেন এবং ১৯৭৮ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন।

তিনি ছিলেন ‘আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি, যিনি চরম সংকটের সময় দেশকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন এবং একটি মুখ থুবড়ে পড়া অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করেছিলেন।

মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান (১৯৩৬–১৯৮১) বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি।  ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আক্রমণ চালালে, ২৬ ও ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এর আগে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে বিদ্রোহ করে দেশের স্বাধীনতার জন্য স্বশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি সেক্টর কমান্ডার এবং জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেন।

তিনি বিশ্বাস করতেন যে সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা কেবল রাজনৈতিক স্লোগানে রক্ষা পায় না, এটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক আত্মনির্ভরশীলতার ওপর নির্ভর করে। তাঁর দেশপ্রেমের মূল ভিত্তি ছিল ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। যা জাতি,ধর্ম ,বর্ন নির্বিশেষে বাংলাদেশের ভিত্তি আরো মজবুত করে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবিধানের প্রস্তাবনায় ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ সংযোজন করেন এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদের পাশাপাশি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণা সামনে নিয়ে আসেন। তিনি ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও গ্রামীণ উন্নয়নের মাধ্যমে রাজনীতিকে গ্রামমুখী করেছিলেন। তাঁর ব্যক্তিগত সততা ও মিতব্যয়িতা ছিল কিংবদন্তিতুল্য। একজন রাষ্ট্রপ্রধান হওয়া সত্ত্বেও তিনি অত্যন্ত সাধারণ ও অনুশাসনপূর্ণ জীবনযাপন করতেন। সরকারি অর্থের অপচয় রোধে তিনি ছিলেন কঠোর এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছিলেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে নিহত হওয়ার পর তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদ বলতে কেবল একটি ভাঙা সুটকেস ও সামান্য কিছু পোশাক পাওয়া গিয়েছিল।

তিনি খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য খাল খনন কর্মসূচি এবং গ্রাম সরকার ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়নে তিনি জোর দেন। তাঁর শাসনামলে বাংলাদেশ খাদ্য ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়। তিনি বিশ্বাস করতেন অর্থনৈতিক মুক্তি ছাড়া রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্থহীন। তাঁর সময়ে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ধারা তৈরি হয়। তিনি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি শ্রমশক্তি বা জনশক্তি রপ্তানির ভিত্তি মজবুত করেন এবং রফতানিমুখী শিল্পের প্রসারে ভূমিকা রাখেন।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়ার রহমান দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘সার্ক’গঠনের প্রাথমিক ধারণা ও প্রস্তাব দেন, যা পরবর্তীতে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। তিনি ইসলামী সম্মেলন সংস্থার (ওআইসি) আল-কুদস কমিটির সদস্য হন এবং ইরান-ইরাক যুদ্ধ নিরসনে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে তাঁর মত জনপ্রিয় রাষ্ট্রপতি বিরল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের যাত্রাপথে  শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান ইতিহাসে অবিস্মরণীয়।।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host