1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পাবনায় আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষের মুখোমুখি এ্যাড. শিমুল বিশ্বাস এমপি ভাঙ্গুড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী যুবদল নেতা শামীম মোল্লার মোটরসাইকেল শোডাউন দুই মাসে ২২৫০টিরও বেশি ল্যাপটপ বিতরণ করল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি   ফরিদপুরে ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে হারোডাঙ্গা একতা উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু মাঠ পর্যায়ে সেবার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ভাঙ্গুড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গুরুত্বপূর্ণ সভা মুক্তিযুদ্ধের অগ্রদূত শহীদ জিয়ার ব্যবহৃত কিংবদন্তি মোটর গাড়িটি ইতিহাসের রাজশাক্ষী আন্দোলন পরিহার করে পোশাকশ্রমিকদের অবিলম্বে কাজে ফেরার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক ও মালিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি পাবনা জেলা জামায়াতের নতুন আমীর অধ্যাপক নজরুল ইসলাম ফরিদপুরে পুলিশের অভিযান: নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সদস্য ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ গ্রেফতার ৫

হেমিলির না বলা কথা- ফারজানা ইয়াসমিন রিতু

ডিডিএন ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২ জুলাই, ২০২৫
  • ৪২৯ সময় দর্শন
ফারজানা ইয়াসমিন রিতু, ‎ দশম শ্রেণি, মমতাজ মোস্তফা আইডিয়াল স্কুল, ভাঙ্গুড়া,পাবনা‎

“নাই প্রতিবাদ, তবুও শব্দে
‎লেগে থাকে ক্ষীণ ব্যথা,
‎বাবা-মা, জানো কি
‎নিঃশব্দও বলে যায় বহু কথা!?”
‎
‎একটি গ্রামে বাস করত একটি মেয়ে, একটি কিশোরী, হেমিলি।  ৩ বোনের ছোট সে। ভাই নেই, তাই বাবা মা ছিল বেশ দুশ্চিন্তায়! যখন হেমিলির বড় দুই বোনের বিয়ে হয়ে যায়, তখন সব দায়িত্ব যেন এসে পরে হেমিলির ওপরে। হেমিলির  মা ছিল ভীষণ  অসুস্থ। তার বাবা বাসায় থাকে না কারণ তিনি ছিলেন খুব ব্যস্ত একজন মানুষ। হেমিলির কথা বলার সাথী তার মা।
‎
‎অযথা বাহিরে যায় না হেমিলি। সব সময় তার যে মায়ের দেখাশোনা করতে হয়। যখন সে স্কুলে যায়, তখন তার মায়ের জন্য অনেক চিন্তা হয়। কারণ তার মা অনেক অসুস্থ। বাসায় কোনো কাজের লোক রাখতে পারে না তারা। কারণ এই সমাজে বিশ্বাসী লোকেরও যে বড় অভাব।  বোনরা কখনো বেড়াতে এলে কিছুটা নির্ভার থাকতে পারে সে।
‎
হেমিলি পড়াশোনাতে খুব একটা ভালো না, অন্তত সবাই তাই বলে! কিন্তু তার ইচ্ছা সে লিখবে। সে একজন কাজী নজরুল হতে চায়, যার লেখায় থাকবে প্রতিবাদ, ভালোবাসা  আর বিদ্রোহ!
‎
‎কিন্তু তার বাবা চায় সে অন্য কিছু হোক!
‎
‎হেমিলি স্কুলেও যায় কম। কারণ তার কোনো মনের মতো বন্ধু নেই, যে তাকে বুঝবে। হেমিলির  বুক ভরা হতাশা। কিন্তু তাও তার কোন অভিযোগ নেই; কারো কাছে, কারো বিরুদ্ধে!
‎
‎হেমিলি তার বাবা এবং মা কে অনেক ভালোবাসে।
‎
হেমিলি নিজের লেখার প্রতি খুব মনোযোগী। যখন সে অবসর পায়, তখন সে তার লেখায় সেই সময়টুকু লাগিয়ে দেয়।
‎
‎হেমিলি অনেক বড় একজন লেখিকা হতে চায়!
‎
‎শুধু কি এতটুকু কথাতেই জীবন সীমাবদ্ধ? 
‎
‎না!
‎
‎হেমিলি গায়ের রং চাপা । এইতো, সাদা-কালোর মাঝামাঝি! হরিণের মতো চোখ তার, কিন্তু কে দেখে? এই সমাজে এখনো যে সাদা চামড়ার দামই বেশি!
‎
হেমিলি এই নিয়ে অনেকের অনেক মন্তব্যের শিকার হয়। অনেক ফিসফাস তাকে নিয়ে। কিন্তু এতে তার দোষ কি? সৃষ্টিকর্তা তাকে নিজের মতো করে বানিয়েছে! দোষ হলে তার হবে! এটা সবাই বোঝে না!
‎
হেমিলি একজন কাজী নজরুল হতে চায়, যার লেখায় থাকবে প্রতিবাদ, ভালোবাসা  আর বিদ্রোহ!!

 

(সুত্রঃ জনকণ্ঠ )

এনএইচ

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host