1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পাবনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রস্তুতি সভা পাবনায় আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষের মুখোমুখি এ্যাড. শিমুল বিশ্বাস এমপি ভাঙ্গুড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী যুবদল নেতা শামীম মোল্লার মোটরসাইকেল শোডাউন দুই মাসে ২২৫০টিরও বেশি ল্যাপটপ বিতরণ করল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি   ফরিদপুরে ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে হারোডাঙ্গা একতা উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু মাঠ পর্যায়ে সেবার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ভাঙ্গুড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গুরুত্বপূর্ণ সভা মুক্তিযুদ্ধের অগ্রদূত শহীদ জিয়ার ব্যবহৃত কিংবদন্তি মোটর গাড়িটি ইতিহাসের রাজশাক্ষী আন্দোলন পরিহার করে পোশাকশ্রমিকদের অবিলম্বে কাজে ফেরার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক ও মালিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি পাবনা জেলা জামায়াতের নতুন আমীর অধ্যাপক নজরুল ইসলাম

ভাঙ্গুড়া জুয়েল বস্ত্রালয়ে একদরের নামে ডাকাতি,৫ হাজার টাকা দন্ড

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৩২৫ সময় দর্শন

ভাঙ্গুড়া প্রতিনিধি : পাবনা ভাঙ্গুড়া পৌরসভার খাদ্যগুদাম রোডে জুয়েল বস্ত্রালয় ৬০০ টাকার জিনিস ১৮০০ টাকায় বিক্রয় করায় সত্তাধিকারীর   ৫০০০ টাকা অর্থদন্ড আদায়  করা হয়েছে।

ভাঙ্গুড়া বাজারের এই জুয়েল বস্ত্র বিতানের বিরুদ্ধে একদরের নামে অস্বাভাবিক মূল্য নেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। জনৈক ব্যক্তির অভিযোগ ও তথ্যানুসন্ধ্যানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট শনিবার ভাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় নিশ্চিত হন যে ৬০০ টাকার জিনিস ১৮০০ টাকায় বিক্রয় করা হচ্ছে । তখন ভ্রাম্যমান আদালত তাকে  ৫০০০ টাকা অর্থদন্ড অনাদয়ে তিন মাসের জেল প্রদানের রায় ঘোষনা করেন। শনিবার (৭ মার্চ) বিকালে সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে অস্বাভাবিক দামে বিক্রয় করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৫০০০ টাকা অর্থ দণ্ডাদেশ অথবা ৩ মাসের জেল প্রদান করেন।

পরে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদন্ড পরিশোধ করে জুয়েল বস্ত্র বিতানের মালিক শহিদুর রহমান জেল হাজত থেকে রক্ষা পান। তবে আদালত সবাইকে সতর্ক থেকে এখানে কাপড় ও অন্যন্য সামগ্রী ক্রয়ের জন্য পরামর্শ প্রদান করেন।

এই ঘটনায় অনেক গ্রাহক ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তারা বলেন বিশ্বাসের সাথে একদরে জিনিস কেনা হয়। অথচ এমন প্রতারণায় তারা এখন হতবাক । এটা রীতিমত ডাকাতির সামিল। তারা দাবি করেন, পৌর প্রশাসকের তত্তাবধানে জুয়েল বস্ত্র বিতানের সকল পোষাকের আগে  ন্যায্য মূল্যা নির্ধারণ করা হোক। তারপর দোকানে বিক্রির অনুমতি  দেওয়া হোক। নইলে এই প্রতারণার জালে  আটকে সাধারণ গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হতেই থাকবেন। এটা কারো কাম্য নয়।।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host