শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নুরুজ্জামান বাদলের (৫১) মৃত্যুতে এ আসনের নির্বাচন স্থগিত হচ্ছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মাহমুদুর রহমান আজ (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আইনে আছে কোনো বৈধ প্রার্থী মারা গেলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচন স্থগিত রাখা হয়। সেই বিষয়টি নিয়ে আরও তথ্য বিশ্লেষণ করে একটি প্রজ্ঞাপন দেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, একজন প্রার্থী মারা গেলে পরবর্তী করণীয় আইনে স্পষ্ট আছে। আমরা আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেবো।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে কোনো প্রার্থীর মৃত্যু হলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল করার বিষয়ে বাংলাদেশের আইনে সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর আলোকে প্রার্থীর মৃত্যুসংক্রান্ত বিষয়ে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৭-এর ১ উপ-ধারায় বলা হয়েছে, যদি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর এবং ভোটগ্রহণের আগে কোনো বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী মৃত্যুবরণ করেন, তবে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল বা স্থগিত করতে হবে।
প্রার্থীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর রিটার্নিং কর্মকর্তা একটি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওই আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম বাতিলের ঘোষণা দেবেন।
সংশ্লিষ্ট আসনে নতুন করে নির্বাচনের জন্য পুনরায় তফসিল ঘোষণা করা হবে।