বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সোমবার কক্সবাজারের মহেশখালীতে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বললেন, “দেশে চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও মামলা বাণিজ্যের সংস্কৃতি বন্ধ করা হবে। এসব অপসংস্কৃতি থেকে জাতিকে মুক্ত করাই জামায়াতের অঙ্গীকার।”
শফিকুর রহমান বলেন, “পচে যাওয়া নেতৃত্ব দিয়ে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব নয়। তিনি বলেন, বস্তাপচা রাজনীতির পরিবর্তনই আমাদের লক্ষ্য।”
শফিকুর রহমান বলেন, মহেশখালীতে একটি স্মার্ট ইকোনমিক জোন গড়ে তোলা হবে। লবণ শিল্পকে আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেবে জামায়াত। পাশাপাশি কক্সবাজারকে সিঙ্গাপুর কিংবা হংকংয়ের চেয়েও উন্নত নগরীতে রূপান্তর করা হবে। অপমানজনক বেকার ভাতা নয়, যুব সমাজকে সম্মানজনক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশ পাল্টে যাবে। নতুন বাংলাদেশের উদয় হবে।”
জাতিকে বিভক্ত নয়, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, আগামী ১৩ তারিখ থেকে বাংলাদেশ পাল্টে যাবে, নতুন বাংলাদেশের উদয় হবে।
জামায়াত আমির বলেন, যারা বসন্তের কোকিল নয় তাদের নিয়ে বাংলাদেশ নিয়ে গঠন করতে হবে। ইনসাফের ভিত্তিতে বাংলাদেশে উন্নয়ন হবে। পিছিয়ে থাকা অঞ্চলকে আগে উন্নয়নের কাতারে নিয়ে আসা হবে।
গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা আগে মুখ লুকিয়ে কথা বলতেন তারা এখন গণভোট নিয়ে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে এসেছেন। ক্ষমতায় গেলে কক্সবাজারবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি লবণ শিল্পকে রক্ষা এবং আধুনিকায়ন করার প্রতিশ্রুতি দেন জামায়াত আমির। নির্বাচনী জনসভায় দাঁড়িপাল্লা মার্কার পাশাপাশি হ্যাঁ ভোটের পক্ষে ভোট চান ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা।