পাবনা জিলা স্কুলের ১৯৮২ ব্যাচের শিক্ষার্থী, সরকারের যুগ্ম সচিব এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)-এর মীরসরাই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আবদুল্লাহ আল ফারুক আর নেই। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে চারটার দিকে ঢাকা থেকে পাবনার কাজিরহাটে যাওয়ার পথে আরিচা ঘাট এলাকায় তিনি স্ট্রোক করলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রবিবার (১৮ জানুয়ারি) বেলা তিনটায় কাজিরহাট হাইস্কুল মাঠে তাঁর জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন। সংগঠনটির সভাপতি খান হাবিব মোস্তফা বলেন, “আমরা মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।”
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর বনশ্রীর সংগঠনটির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পর্ষদের সভায় মরহুমের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, “তাঁর মৃত্যুতে পাবনা জেলা হারালো একজন যোগ্য সন্তানকে এবং দেশ হারালো একজন সৎ, দক্ষ ও নিষ্ঠাবান আমলাকে।”
সংগঠনের সভাপতি খান হাবিব মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি ড. মোস্তাফিজুর রহমান খানকে প্রধান করে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কমিটি গঠন করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন উপকমিটিও অনুমোদন দেওয়া হয়।
সভায় ২০২৫ সালের কার্যক্রমের পর্যালোচনা ও আর্থিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে ২০২৬ সালের কর্মপরিকল্পনাও চূড়ান্ত করা হয়। কর্মপরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে—পবিত্র রমজান মাসে ঢাকায় দুটি এবং পাবনায় গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে একটি ইফতার মাহফিল আয়োজন, ২৩ এপ্রিল ব্যতিক্রমধর্মী কর্মসূচির মাধ্যমে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, পাবনার তরুণ সংবাদকর্মীদের জন্য একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন, বছরের শেষে ঢাকাস্থ পাবনাবাসীদের নিয়ে একটি পিকনিকের আয়োজন এবং পাবনার উন্নয়নে ফাউন্ডেশন ঘোষিত রূপকল্প বাস্তবায়নের চলমান আন্দোলন অব্যাহত রাখা।