1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন

মতবিভেদ যেন জাতিকে বিভক্ত করে না ফেলে : তারেক রহমান

ডিডিএন নিউজ ডেস্ক:
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৫ সময় দর্শন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘মতবিভেদ যেন জাতিকে বিভক্ত করে না ফেলে, সে বিষয়ে আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’

সব রাজনৈতিক পক্ষকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘সামনে আমাদের অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ। আমাদের মধ্যে বিভিন্ন রকম মতপার্থক্য আছে। সেটা থাকতেই পারে। এসব মতপার্থক্য নিয়ে আলাপ-আলোচনা হতে হবে। কিন্তু, সেটি যেন কোনোভাবেই মতবিভেদ বা জাতিকে বিভক্ত করার পর্যায়ে না যায়। ৫ আগস্টে আমরা দেখেছি তার পরিণতি কী হতে পারে।’

আজ শনিবার রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনের গ্র্যান্ড বলরুমে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময়ের এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে বিএনপি।

বেলা ১১টায় অনুষ্ঠানস্থলে এসে প্রথমেই তারেক রহমান সম্পাদক ও সাংবাদিকদের আসনের কাছে গিয়ে তাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। দেশে ফেরার পর সম্পাদকদের সঙ্গে এটিই তারেক রহমানের প্রথম আনুষ্ঠানিক মতবিনিময়।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের সমস্যা ছিল। আমাদের সমস্যা আছে। অবশ্যই আমরা ৫ আগস্টের আগে ফিরে যেতে চাই না। আমি আমার অবস্থান থেকে যদি চিন্তা করি, আমার একপাশে ১৯৮১ সালের একটি জানাজা, ২০২৫ সালে ৩১ ডিসেম্বর একটি জানাজা এবং আরেক পাশে ২০২৪ সালে ৫ আগস্টের একটি ঘটনা। আমার মনে হয়, এটি আমার একার জন্য নয়, যারা আমার দলের নেতা, কর্মী, সদস্য ও সামগ্রিকভাবে পুরো দেশের মানুষের সামনে বোধহয় এই দু’টি বাছবিচার করার জন্য সবচেয়ে ভালো উদাহরণ যে, ৫ আগস্টে ফিরে যাওয়ার কোনো কারণ নেই আমাদের।’

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘হিংসা, প্রতিশোধ, প্রতিহিংসা একটি মানুষ, একটি দল বা যেভাবেই আমরা বিবেচনা করি— তার পরিণতি কী হতে পারে, আমরা ৫ আগস্ট দেখেছি। সেজন্য সবাইকে অনুরোধ করবো— দলমত নির্বিশেষে, আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু আমরা যদি চেষ্টা করি, তাহলে সেই মতপার্থক্যটাকে মতপার্থক্যের মধ্যে রেখে আলোচনার মাধ্যমে অনেক সমস্যার সমাধান হয়তো আমরা বের করে আনতে সক্ষম হবো।’

তিনি বলেন, ‘কিন্তু কোনোভাবেই যাতে সেটি মতবিভেদের পর্যায়ে চলে না যায়। মতবিভেদ হলে, জাতিকে বিভক্ত করে ফেললে কী হতে পারে, আমরা দেখেছি। আজ সেজন্য অনেকের মুখে অনেক হতাশার কথা আমরা শুনি। কিন্তু তারপরেও আশার কথা হচ্ছে যে, তাদের কাছে ভবিষ্যতের চিন্তাও আছে। ভবিষ্যতের পরিকল্পনা আছে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘এখানে একজন বক্তা বলে গেছেন, সামনে আমাদের চ্যালেঞ্জ আছে। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমার কাছে মনে হয়, সামনে আমাদের অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ আছে। আমাদের মধ্যে বিভিন্ন রকম মতপার্থক্য আছে। আমাদের বিভিন্ন মতপার্থক্যগুলো নিয়ে যাতে আলাপ ও আলোচনা করতে পারি, আমাদের যেকোনো মূল্যে ডেমোক্রেটিক প্রসেস, যেটা আমরা ইনশাআল্লাহ ১২ তারিখ থেকে শুরু করতে যাচ্ছি।’

যেকোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চালু রাখতে হবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘গণতন্ত্র ও জবাবদিহির চর্চা চালু রাখতে হবে। জাতীয় পর্যায় থেকে শুরু করে স্থানীয় সরকার বা ট্রেড বডি— সবখানেই নির্বাচন হতে হবে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে দেশের সমস্যার সমাধান সম্ভব।’

তিনি বলেন, ‘এখানে একজন বক্তা পানির কথা বলেছেন। তার (ওই বক্তার) সঙ্গে আমার কিছুদিন আগে কথা হয়েছিল। তার সামনে আমি আরো বিষয় তুলে ধরেছি। দেশে ফিরে আসার পরে যে কয়বার বাইরে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে, সাভারে গিয়েছিলাম। আরো কয়েকটি জায়গায় গিয়েছিলাম। আমার কাছে মনে হয়েছে— নতুন প্রজন্ম একটি গাইডেন্স চাইছে, নতুন প্রজন্ম একটি আশা দেখতে চাইছে। শুধু নতুন প্রজন্ম নয়। আমার কাছে মনে হয়েছে, প্রতিটি প্রজন্মই মনে হয় একটি গাইডেন্স চাইছে।’

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা যারা রাজনীতি করি, আমাদের কাছে হয়তো অনেক প্রত্যাশা। সব প্রত্যাশা হয়তো পূরণ করা সম্ভব না। কিন্তু আমরা রাজনীতিবিদরা যদি ১৯৭১ সাল, ১৯৯০ সাল ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট— এই সবগুলোকে আমাদের সামনে রেখে দেশের স্বাধীনতা, দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য কাজ করি, তাহলে নিশ্চয় আমার কাছে মনে হয়, একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি— আমরা জাতিকে একটি সঠিক ডাইরেকশনে নিয়ে যেতে সক্ষম হবো।’

সংস্কার প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ‘সংস্কারের তিনটি অংশ রয়েছে— সাংবিধানিক, আইনগত এবং মানুষের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রা ও নিরাপত্তা।’

তিনি বলেন, ‘সাংবিধানিক ও আইনগত সংস্কার নিয়ে আমরা অনেক আলোচনা করেছি। কিন্তু মানুষের প্রতিদিনের জীবনযাত্রা, নিরাপত্তা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান ও সন্তানদের শিক্ষার মতো মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা কিছুটা কম হয়েছে।’

আগামীতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে বিএনপি জনগণের দৈনন্দিন সমস্যার সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘রাজনীতি শুধু সেমিনার আর সিম্পোজিয়ামের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। সংবিধান ও আইন সংস্কারের পাশাপাশি মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের মতো মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের আরো বেশি ভাবতে হবে।’

এ সময় তারেক রহমান ভবিষ্যতে বিএনপির দেশ পরিচালনার পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিশেষ করে নারী উন্নয়ন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, প্রবাসী কল্যাণ, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের সংস্কার নিয়ে তার ভাবনার কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘আগামী ২২ তারিখ থেকে আমরা আমাদের সব রকম পরিকল্পনা নিয়ে জনগণের সামনে যাব।’

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার গঠন করতে পারলে নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রায় ৪ কোটি পরিবার আছে। আমরা ফ্যামিলি কার্ড চালু করব। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের নারীদের রাষ্ট্র থেকে সহায়তা দেওয়া হবে। এটি সর্বজনীন (ইউনিভার্সাল) করা হবে।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘মার্টিন লুথার কিং যেমন স্বপ্নের কথা বলেছিলেন, তেমনি বিএনপিরও একটি স্বপ্ন বা পরিকল্পনা আছে। দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা নারী, তাদের বাদ দিয়ে উন্নয়ন সম্ভব নয়। বেগম খালেদা জিয়া নারীদের শিক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছিলেন, এখন বিএনপি তাদের অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করতে চায়।’

দেশের কৃষকদের অবস্থার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘সরাসরি কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত জমির মালিক এমন কৃষকের সংখ্যা প্রায় ১ কোটির মতো। বিগত বিএনপি সরকার কৃষকদের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিল। আগামীতে আমরা কৃষকদের সহায়তার জন্য কৃষি কার্ড চালু করব। এর মাধ্যমে সার, বীজ ও কৃষি উপকরণে ভর্তুকিসহ নানা সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।’

স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দেন কিওর’ বা প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম এই নীতিতে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘ইউরোপের দেশগুলোর মতো বাংলাদেশেও হেলথ কেয়ার বা স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছি। এর মধ্যে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশই হবেন নারী। তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করবেন, পুষ্টিকর খাবার ও জীবনযাপন সম্পর্কে পরামর্শ দেবেন। একই সঙ্গে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণেও তারা ভূমিকা রাখবেন। আমাদের সম্পদ সীমিত, তাই জনসংখ্যাকে একটি যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা জরুরি।’

প্রবাসী কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘বর্তমানে প্রতিবছর প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ মানুষ বিদেশে যান, যার বড় অংশই অদক্ষ। তাদের যদি ভাষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে পাঠানো যায়, তবে জনশক্তি রপ্তানির আয় অনেক বাড়বে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ভকেশনাল ও টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটগুলোকে আধুনিকায়ন করব। মধ্যপ্রাচ্য, জাপান, ইউরোপ এমনকি চীনের বাজারের চাহিদা অনুযায়ী কর্মীদের ভাষা ও দক্ষতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়বে এবং দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। এছাড়া প্রবাসী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ বন্ড সুবিধা চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।’

তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান ও আইটি খাতের বিকাশে বিএনপির পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের আইটি পার্কগুলোকে কাজে লাগিয়ে তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ছোট ছোট অফিস স্পেস ও ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা দেওয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘অনেকে মেসে বা বাসায় বসে কাজ করেন। তাদের যদি একটি ব্যবসায়িক ঠিকানা বা স্পেস দেওয়া যায়, তবে তারা আরো বড় পরিসরে কাজ করতে পারবেন। এছাড়া ফ্রিল্যান্সারদের আয়ের টাকা দেশে আনার ক্ষেত্রে পেপ্যাল-সহ আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়েগুলোর সমস্যা সমাধানে আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি।’ এতে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয় বাড়বে বলেও জানান তিনি।

বিএনপি চেয়ারম্যান আরো বলেন, ‘আমরা শুধু রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে সেমিনার-সিম্পোজিয়াম বা তর্কবিতর্ক করছি, যার প্রয়োজন অবশ্যই আছে। কিন্তু একই সঙ্গে মানুষের প্রাত্যহিক চাওয়া-পাওয়া ও প্রয়োজনগুলো নিয়েও রাজনৈতিক দলগুলোর আরো বেশি আলোচনা করা উচিত। এসব বিষয়ে আমাদের পরিকল্পনা ও কর্মসূচি আরো সুনির্দিষ্ট হওয়া প্রয়োজন।’

সাংবাদিকদের কাছে গঠনমূলক সমালোচনা প্রত্যাশা করে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা ইনশাল্লাহ দেশের মানুষের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠনে সক্ষম হলে যাতে আপনাদের কাছ থেকে এমন ধরনের আলোচনা-সমালোচনা আমরা পাই, যেটা আমাদেরকে সাহায্য করবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে। শুধু সমালোচনা, সমালোচনা করার জন্য নয়। আপনাদের কাছ থেকে এমন সমালোচনা আমরা পাই— যাতে আমরা দেশের মানুষের যে সমস্যাগুলো আছে, সেই সমস্যাগুলো যাতে আমরা সমাধান করতে সক্ষম হই।’

মতবিনিময় সভায় বিএনপি নেতাদের মধ্যে ছিলেন— দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান, স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম), আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস এবং গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) চেয়ারম্যান আনোয়ার আল দীন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ, দৈনিক দেশ রূপান্তর-এর সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, বাংলা নিউজ সম্পাদক তৌহিদুর রহমান। এ সময় বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক রেজাউল করিম রনি, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক জাহেদুর রহমান, নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর, কালের কণ্ঠ সম্পাদক হাসান হাফিজ, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী, মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, যুগান্তর সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার, সাংবাদিক মমতাজ বিলকিস, ঢাকা স্ট্রিম সম্পাদক ইফতেখার মাহমুদ, ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন, দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম, বর্ষীয়ান সাংবাদিক শফিক রেহমান এবং বিএনপি বিটের বেশ কয়েকজন সাংবাদিক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host