1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পাবনা-৩ আসনে তিন ভাই-বোন তিন প্রতীকে বঙ্গভবন কর্মকর্তার মেইল ব্যবহার করে জামায়াত আমিরের ‘এক্স অ্যাকাউন্ট’ হ্যাক-গভীর ষড়যন্ত্র দেখছে জামায়াত ব্যক্তিতান্ত্রিক শাসনের অবসানের জন্যই জুলাই সনদ : আলী রীয়াজ ভোটে উপস্থিতি ছাড়াবে ৫৫ শতাংশ, বিচ্ছিন্ন সহিংসতার আশঙ্কা পররাষ্ট্র উপদেষ্টার ইইউ’র সঙ্গে দ্রুত এফটিএ নিয়ে আলোচনা শুরুর আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার আসন্ন সংসদ নির্বাচনে তরুণ সমাজের করনীয় শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভাঙ্গুড়ায় বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ভাঙ্গুড়ায় সড়কের পাশে মিলল বৃদ্ধার লাশ ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে- তারেক রহমান আমরা আর কোনো ফ্যাসিবাদ-দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার চাই না: জামায়াত আমির

কঙ্গোয় বাংলাদেশের নারী পুলিশ ; শান্তি মিশনে আরেক অর্জন

অনলাইন ডেস্ক:
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪৪৯ সময় দর্শন

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন পরিচালিত ডিআর কঙ্গোর কিনসাসা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সুরক্ষার দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের নারী সদস্যরা। বিদেশের মাটিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরের সুরক্ষার দায়িত্ব পাওয়া দেশের জন্য অনেক বড় সম্মানের। শান্তিরক্ষী হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের এটি আরেক নতুন অর্জন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের অধীনে বিশ্বের নানাপ্রান্তে দায়িত্ব পালনকারীরা ‘ব্লু হেলমেটধারী’ হিসেবে পরিচিত। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের প্রতীক ‘ব্লু হেলমেট’। কয়েক দশক ধরে শান্তি মিশনে গৌরবের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা। কিছু দিন আগেই জাতিসংঘে শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের নাম ফের শীর্ষে উঠে এসেছিল। শান্তিরক্ষী হিসেবে বিশ্বের নানাপ্রান্তে চ্যালেঞ্জ নিয়ে দায়িত্ব পালন করে দেশের মুখ উজ্জ্বল করছেন ব্লু হেলমেটধারীরা। গতকাল পুলিশ সদর দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিনসাসা বিমানবন্দরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।

 

বাংলাদেশ থেকে আট হাজার ৫০০ কিলোমিটার দূরের এই বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় রয়েছেন ব্যানএফপিইউ-১, রোটেশন-১৪ এর শান্তিরক্ষীরা। এটির সুরক্ষা দিতে পেরে পুলিশের নারী শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত গর্বিত। রোটেশন-১৪ এর কমান্ডার মেরিনা আক্তার বলেন, ‘শুধু দেশের মাটিতে নয়, বিদেশ বিভুঁইয়ে জাতিসংঘের পতাকাতলে অত্যন্ত মর্যাদা ও গর্বের সঙ্গে আমরা দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। কঙ্গোর এই বিমানবন্দরটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অবশ্যই বিরাট চ্যালেঞ্জ। তবে আমরা আশাবাদী, বরাবরের মতোই এবারও আমরা সফল হব। জাতিসংঘের ম্যান্ডেট মেনে আমরা নির্মোহভাবে কঙ্গোবাসীর জন্য শান্তির অভিপ্রায়ে নিরন্তর কাজ করে চলেছি।’ পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (মিডিয়া) সোহেল রানা বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের নারী শান্তিরক্ষীদের এই অভিযাত্রা কঙ্গোবাসীর মনে নতুন আশা জাগিয়েছে। বর্তমানে শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইথিওপিয়া। এই তালিকায় বর্তমানে পাকিস্তানের অবস্থান পঞ্চম। সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশ মিলে বর্তমানে ৬ হাজার ৭৩১ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী বিভিন্ন দেশে নিয়োজিত রয়েছেন।

 

১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েছিলেন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা। ওই বছর ইরান-ইরাক সামরিক পর্যবেক্ষক দলে ১৫ জন সামরিক পর্যবেক্ষক পাঠায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেই থেকে শুরু শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে লাল-সবুজের বাংলাদেশের যাত্রা। এরপর দিন দিনই আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষায় দেশের সাফল্যে নতুন নতুন পালক যুক্ত হয়েছে, যা বিশ্বে বাংলাদেশকে নতুন এক মর্যাদায় নিয়ে গেছে। নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী শান্তিরক্ষী মিশনে যোগ দেয় ১৯৯৩ সালে। আর পুলিশ নামিবিয়া মিশনের মধ্য দিয়ে ১৯৮৯ সালে শান্তিরক্ষী মিশনে যাত্রা শুরু করে। পুরুষের পাশাপাশি বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীরাও নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখছেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host