1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গুড়ায় বিশ্ব শিক্ষক দিবসে আলোচনাসভা ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শিক্ষকদের মর্যাদা দিলে, বাড়বে শিক্ষার মান! ২৫২ টাকা বেড়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৮৩৭ শাহজালাল বিমানবন্দরে দুই বিমানকর্মীর জুতায় ১৬ কোটি টাকার স্বর্ণ যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়াম দেশকে ভালো করতে ইমামতির মতো সমাজেরও দায়িত্ব নিতে হবে আলেমদের-বিরোধীদলীয় নেতা মেজর আখতারুজ্জামান একদিনের রিমান্ডে সুদের চাপ কমাতে ৬২ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা: গভর্নর জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

মিলাদুন্নবী ও উম্মতের করণীয়

মাওলানা ইমদাদুল হক
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৩ সময় দর্শন

নবীজি (সা.)-এর আগমন পৃথিবীর জন্য সবচেয়ে আনন্দের বিষয়। কেননা তিনি এসেছিলেন বিশ্বজগতের জন্য করুণা হয়ে। হাদিসের আলোকে হাতির বছর, অর্থাৎ যে বছর আবরাহা হাতি নিয়ে কাবাঘর ধ্বংসের জন্য মক্কা আক্রমণ করেছিল, সে বছর নবীজি (সা.) জন্মগ্রহণ করেছিলেন। সাহাবি কায়েস ইবনে মাখরামা (রা.) বলেন, আমি এবং রাসুলুল্লাহ (সা.) দুজনেই ‘হাতির বছরে’ জন্মগ্রহণ করেছি। (তিরমিজি : ৩৬১৯)

আর তাঁর জন্মবারটি ছিল সোমবার। আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) সোমবারে জন্মগ্রহণ করেন, সোমবারে নবুয়ত লাভ করেন, সোমবারে ইন্তেকাল করেন, সোমবারে মক্কা থেকে হিজরত করে মদিনার পথে রওনা করেন, সোমবারে মদিনায় পৌঁছান এবং সোমবারেই তিনি হাজরে আসওয়াদ উত্তোলন করেন। (মুসনাদে আহমাদ : ২৫০৬)

নবুয়ত প্রাপ্তির পর এই দিন তিনি রোজা রাখতেন। সাহাবি আবু কাতাদাহ (রা.) বলেন, এ রোজা সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘এই দিনে আমি জন্মগ্রহণ করেছি এবং এই দিনেই আমি নবুয়ত লাভ করেছি।’ (মুসলিম ১১৬২)

তিনি এসেছিলেন আমাদের জন্য রহমত বা করুণাস্বরূপ। আর আমাদের জন্য করুণা হিসেবে নিয়ে এসেছিলেন আল্লাহর শরিয়ত বা ইসলামি জীবনবিধান। তাই আমাদের কর্তব্য, তাঁর আগমনের শুকরিয়া হিসেবে জীবনব্যাপী তাঁর আনীত শরিয়ত প্রতিপালন করা। ওপরের হাদিসটিতে আমরা দেখেছি, তিনি তাঁর জন্মের দিন, অর্থাৎ সোমবারে রোজা রাখতেন। উম্মত তাঁর অনুসরণে সাপ্তাহিকভাবে সোমবারে রোজা রেখে তাঁর আগমনে শুকরিয়া আদায় ও আনন্দ প্রকাশ করতে পারে। কিন্তু এ দিনটিকে বার্ষিক ঈদ বানানোর কোনো শিক্ষা তাঁর আনীত শরিয়তে নেই, বরং এর বিপরীত শিক্ষাই হাদিসে রয়েছে।

প্রথমত, তিনি তাঁর জন্মদিন হিসেবে সাপ্তাহিক সোমবারকে চিহ্নিত করেছেন, বার্ষিক কোনো তারিখকে নয়। দ্বিতীয়ত, জন্মদিনে তিনি রোজা রাখতেন। আর তাঁর শিক্ষায় রোজা ঈদের বিপরীত বিষয়। হাদিস শরিফে এসেছে, উম্মে সালমা (রা.) বলেন, নবীজি (সা.) শনিবার ও রোববারে সপ্তাহের অন্য দিনের তুলনায় বেশি রোজা রাখতেন। এর কারণ হিসেবে তিনি বলতেন, এ দুটি দিন মুশরিকদের ঈদ-আনন্দের দিন। তাই এভাবে আমি তাদের বিরোধিতা করতে চাই। (সহিহ ইবনে হিব্বান : ৩৬১৬)

আমাদের কর্তব্য তাঁর নির্দেশনার আলোকে নিজের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং সমাজ-প্রচলনের ওপর তাঁর শিক্ষাকে প্রাধান্য দেওয়া। এটাই তাঁকে ভালোবাসার দাবি।

লেখক : মুহতামিম, দারুস সুন্নাহ একাডেমি, আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host