1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

ঋণনির্ভর নয়, বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির পথে যেতে চায় সরকার-অর্থমন্ত্রী

ডিডিএন নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১ সময় দর্শন

ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে এসে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যাওয়ার কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা টাকা ছাপাতে চাই না। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হবে, দেশি ও বিদেশি এবং এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে।’

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রায়শই বলা হয়, বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত কম। জিডিপির আকার নিয়েও প্রশ্ন আছে। এ ক্ষেত্রে কোনো পর্যালোচনা করবেন কিনা প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘জিডিপির আকারের সঙ্গে কর-জিডিপি রেশিও; সবই সম্পর্কিত। অর্থনীতিকে যদি আমরা চাঙ্গা করতে না পারি, দিনের শেষে ট্যাক্স-জিডিপি বাড়ানো কঠিন। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি। আমরা টাকা ছাপাতে চাই না। বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হবে। দেশি ও বিদেশি এবং এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে।’

সেটা মাথায় রেখেই বাজেট করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যাতে বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের ওপর আস্থা রাখতে পারে। আমাদের বড় সমস্যা হচ্ছে আমরা নীতিগুলো দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখতে পারি না। নীতি পরিবর্তন হলে বিনিয়োগকারীদের কাছে ভুল বার্তা যায়। আমরা চাই, নীতিগুলো নির্দিষ্ট সময়সীমার জন্য স্থিতিশীল থাকুক, যাতে বিনিয়োগকারীরা পরিকল্পনা করে বিনিয়োগ করতে পারেন।’

‘এই আস্থা না থাকলে কেউ বিনিয়োগ করবে না; না দেশি, না বিদেশি। বিষয়গুলো আমরা পর্যালোচনা করছি। এটা এখনও ওয়ার্ক ইন প্রগ্রেস’, বলেন অর্থমন্ত্রী।

বড় প্রতিষ্ঠানের কর ফাঁকি নিয়ে অনুসন্ধানের কোনো অগ্রগতি আছে কিনা জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সবকিছুই পর্যালোচনা করা হচ্ছে।’

এনবিআর দুই ভাগ করার বিষয়ে অগ্রগতি আছে কিনা প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সেটাও আলোচনায় আছে।’

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনে আপনাদের কোনো সুসংবাদ আছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রক্রিয়া চলছে। এটা জাতিসংঘ অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদে (ইকোসক) যাবে, সেখান থেকে জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে যাবে। দেখা যাক, কী হয়।‘

প্রধানমন্ত্রী চিঠি পাঠাবেন তিন বছর পেছানোর জন্য সে ব্যাপারে কত দূর অগ্রগতি হয়েছে, প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘না, ওই অগ্রগতি তো এটাই। এখন এটা ইকোসকে যাবে, সেখান থেকে পাস হয়ে জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে যাবে। আমরা দেখি, কী হয়। প্রক্রিয়া তো চলমান।’

সামনে বাজেট, রাজস্ব আহরণ নিয়ে কোনো দিকনির্দেশনা আছে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘এই যে এতক্ষণ ধরে কী করলাম! রাজস্ব আহরণের চিন্তা। আমাদের ধরেন, রাজস্ব আহরণ করতে গিয়ে বাংলাদেশের মহিলাদের কিছু বিষয় আছে, এখানে ছোট ব্যবসায়ীদের বিষয় আছে, বিনিয়োগের বিষয় আছে, সবচেয়ে বড় কর্মসংস্থানের বিষয় আছে। সবকিছু মিলিয়ে আমরা এমন একটি বাজেট করতে চাই, যেখানে এসব বিষয়কে আমরা অ্যাড্রেস করতে পারি।’

নতুন করে এই সরকার বাজেট যখন দেবে, চ্যালেঞ্জটা কী হবে জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ তো অবশ্যই অনেক বড়, সেটা তো আপনারা বুঝতেই পারছেন। আমরা যে অর্থনীতি ইনহেরিট করেছি, খুবই খারাপ অবস্থায় আমরা দায়িত্বটা নিয়েছি। সেই জায়গা থেকে প্রথমে আমাদের স্যালভেজ (উদ্ধার) করার একটি ইস্যু আছে। স্যালভেজ করে আমরা সামনের দিকে অর্থনীতিটাকে, আমরা ইলেকশন ম্যানিফেস্টোতে যে কমিটমেন্টগুলো করেছি জনগণের কাছে, সেটা মিট করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘সুতরাং এখানে রিসোর্স মোবিলাইজেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যদি রিসোর্স মোবিলাইজেশন করতে না পারি, তাহলে কীভাবে এগুলো করব? একদিকে ইকোনমিকে স্যালভেজ করতে হবে, আরেকদিকে আমাদের জনগণের কাছে দেওয়া ম্যানিফেস্টো বাস্তবায়ন করতে হবে। তার ওপর আবার এখন বড় সমস্যা হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে যে যুদ্ধ হচ্ছে। এটা আরেকটি বড় সমস্যা। এখানে আমাদের বড় একটি অংশ খরচ করতে হচ্ছে। অতিরিক্ত দামে জ্বালানি কিনতে হচ্ছে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সুতরাং এটা থ্রি-ওয়ে চ্যালেঞ্জ। অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি; কীভাবে রিসোর্স মোবিলাইজেশনের মাধ্যমে এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করা যায়।’

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host