1. admin@ddnnewsbd.com : admin : ddn newsbd
  2. mamahbubulalom@gmail.com : mahbubul alom : mahbubul alom
বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ক্র্যাচে ভর করে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যুবদল নেতা মায়ের সাথে হওয়া অন্যায়ের বিচার চাইতে গিয়ে নিজ ক্যাম্পাসেই হুমকি-হয়রানির শিকার জাবি’র নারী শিক্ষার্থীঃ সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ ভাঙ্গুড়ায় বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‍্যালি ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত ভাঙ্গুড়ায় ইসলামী ব্যাংকের এটিএম বুথ উদ্বোধন বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাবা-মায়ের কবরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ৪৯ বছরে পা রাখছে বিএনপি, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা এখনো দলের পথনির্দেশক বহুদলীয় গণতন্ত্রই নয়, সংসদীয় গণতন্ত্রও বিএনপির হাত ধরে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী সমুদ্রবন্দরে ৩, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে আইপিইউ মহাসচিবের সৌজন্য সাক্ষাৎ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ

হেমিলির না বলা কথা- ফারজানা ইয়াসমিন রিতু

ডিডিএন ডেস্কঃ
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২ জুলাই, ২০২৫
  • ৩৭৫ সময় দর্শন
ফারজানা ইয়াসমিন রিতু, ‎ দশম শ্রেণি, মমতাজ মোস্তফা আইডিয়াল স্কুল, ভাঙ্গুড়া,পাবনা‎

“নাই প্রতিবাদ, তবুও শব্দে
‎লেগে থাকে ক্ষীণ ব্যথা,
‎বাবা-মা, জানো কি
‎নিঃশব্দও বলে যায় বহু কথা!?”

‎একটি গ্রামে বাস করত একটি মেয়ে, একটি কিশোরী, হেমিলি।  ৩ বোনের ছোট সে। ভাই নেই, তাই বাবা মা ছিল বেশ দুশ্চিন্তায়! যখন হেমিলির বড় দুই বোনের বিয়ে হয়ে যায়, তখন সব দায়িত্ব যেন এসে পরে হেমিলির ওপরে। হেমিলির  মা ছিল ভীষণ  অসুস্থ। তার বাবা বাসায় থাকে না কারণ তিনি ছিলেন খুব ব্যস্ত একজন মানুষ। হেমিলির কথা বলার সাথী তার মা।

‎অযথা বাহিরে যায় না হেমিলি। সব সময় তার যে মায়ের দেখাশোনা করতে হয়। যখন সে স্কুলে যায়, তখন তার মায়ের জন্য অনেক চিন্তা হয়। কারণ তার মা অনেক অসুস্থ। বাসায় কোনো কাজের লোক রাখতে পারে না তারা। কারণ এই সমাজে বিশ্বাসী লোকেরও যে বড় অভাব।  বোনরা কখনো বেড়াতে এলে কিছুটা নির্ভার থাকতে পারে সে।

হেমিলি পড়াশোনাতে খুব একটা ভালো না, অন্তত সবাই তাই বলে! কিন্তু তার ইচ্ছা সে লিখবে। সে একজন কাজী নজরুল হতে চায়, যার লেখায় থাকবে প্রতিবাদ, ভালোবাসা  আর বিদ্রোহ!

‎কিন্তু তার বাবা চায় সে অন্য কিছু হোক!

‎হেমিলি স্কুলেও যায় কম। কারণ তার কোনো মনের মতো বন্ধু নেই, যে তাকে বুঝবে। হেমিলির  বুক ভরা হতাশা। কিন্তু তাও তার কোন অভিযোগ নেই; কারো কাছে, কারো বিরুদ্ধে!

‎হেমিলি তার বাবা এবং মা কে অনেক ভালোবাসে।

হেমিলি নিজের লেখার প্রতি খুব মনোযোগী। যখন সে অবসর পায়, তখন সে তার লেখায় সেই সময়টুকু লাগিয়ে দেয়।

‎হেমিলি অনেক বড় একজন লেখিকা হতে চায়!

শুধু কি এতটুকু কথাতেই জীবন সীমাবদ্ধ? 

‎না!

‎হেমিলি গায়ের রং চাপা । এইতো, সাদা-কালোর মাঝামাঝি! হরিণের মতো চোখ তার, কিন্তু কে দেখে? এই সমাজে এখনো যে সাদা চামড়ার দামই বেশি!

হেমিলি এই নিয়ে অনেকের অনেক মন্তব্যের শিকার হয়। অনেক ফিসফাস তাকে নিয়ে। কিন্তু এতে তার দোষ কি? সৃষ্টিকর্তা তাকে নিজের মতো করে বানিয়েছে! দোষ হলে তার হবে! এটা সবাই বোঝে না!

হেমিলি একজন কাজী নজরুল হতে চায়, যার লেখায় থাকবে প্রতিবাদ, ভালোবাসা  আর বিদ্রোহ!!

 

(সুত্রঃ জনকণ্ঠ )

এনএইচ

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host