সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গুড়ায় দুগ্ধজাত ক্ষুদ্র শিল্পের সফল উদ্যোক্তা কলেজ ছাত্র অপু ঘোষ ভাঙ্গুড়ায় নতুন ইউএনও’র যোগদান- জ্ঞানের নিষ্প্রভ বাতিঘর কি আবার আলোকিত হবে ? বুয়েটকে জঙ্গিবাদের আখড়া বানানো যাবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভাঙ্গুড়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে অনলাইন গরুর হাট ! মাসে কেনাবেচা ৬ কোটি টাকা ভাঙ্গুড়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে অনলাইন গরুর হাট ! মাসে কেনাবেচা ৬ কোটি টাকা ভাঙ্গুড়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে অনলাইন গরুর হাট ! মাসে কেনাবেচা ৬ কোটি টাকা ভাঙ্গুড়া প্রাণি সম্পদ অফিসের নানা জনপ্রিয় কর্মসুচী ! পাবনা জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক তৌফিক আর নেই ভাঙ্গুড়ায় গোদোহন সহজিকরণে বিনামুল্যে মিল্কিং মেশিন বিতরণ  ভাঙ্গুড়ায় প্রাথমিকে শিক্ষক সমন্বয় বদলি নেই! শ্রেনি বিন্যাসে দরকার বহুতল ভবন

মৃত্যুর পর আমার ভাস্কর্যও হতে পারে : হিরো আলম

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৩৭২ সময় দর্শন

সংবাদ ডেস্ক: দেশে ভাস্কর্য নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যেই মডেল, অভিনেতা ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত-বিতর্কিত হিরো আলম বলেছেন, ভাস্কর্য যারা বানিয়েছেন তারা রাখার জন্যই বানিয়েছেন। ভাস্কর্য নিয়ে কে কী’ বললো তা দেখার সময় নেই, দেশে ভাস্কর্য থাকবে। আমি মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছি। তাই মৃত্যুর পরে আমার ভাস্কর্যও হতে পারে।

রোববার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে দেশের একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

হিরো আলম বলেন, ভাস্কর্য সবার হয় না। শুধুমাত্র নামিদামি ও গুণী মানুষ, প্রজ্ঞাবান ব্যক্তি ও গুণী শিল্পীদেরই ভাস্কর্য হয়ে থাকে। যারা বলছে ভাস্কর্য ভাঙতে হবে তারা ঠিক বলছেন না। মৃত্যুর পরে আমা’র ভাস্কর্য হতে পারে।

তিনি বলেন, যাদের ভাস্কর্য ইতোমধ্যে তৈরি হয়েছে তাদেরকে এক শ্রেণির মানুষ দেখতে পারে। আবার অন্য শ্রেণির মানুষ দেখতে পারে না। যারা ভাস্কর্য দেখতে পারে না তারা সারাজীবনই এই ভাস্কর্য নিয়ে বিরোধিতা করবে।

মৃ’ত্যুর পরে কি আপনার ভাস্কর্য হতে পারে? এমন প্রশ্নে হিরো আলম বলেন, বাংলাদেশে অনেক মানুষ আলোচিত-সমালোচিত হয়। ফেসবুকে অনেকেই ছয় মাস কিংবা এক বছর ভাইরাল হয়। পরে আর খুঁজে পাওয়া যায় না। আলোচনা বলেন কিংবা সমালোচনা- যেকোনও বিষয়ে আমি হিরো আলম এক এক করে পাঁচটি বছর মাঠে টিকে আছি। আমি যদি ভালো কাজ না করতাম তাহলে এতো মানুষের হৃদয়ে জায়গা পেতাম না। মানুষ আমাকে নিয়ে এতোকিছু করতো না। আমাকে নিয়ে মানুষের ভালোবাসা আছে বলেই মানুষ আমা’র ভাস্কর্য বানাতে চায়।

২০১৮ সালে আলোচিত হিরো আলমের ভাস্কর্য তৈরি করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের ভাস্কর্য বিভাগের একজন শিক্ষার্থী। সেসময় হিরো আলম প্রথমে শুনে বিশ্বা’স করতে পারেননি যে তার ভাস্কর্যও তৈরি হতে পারে। তাই তিনি নিজে সশরীরে ভাস্কর্যটি দেখতে যান।

হিরো আলম বলেন, আমি জিরো থেকে হিরো হয়েছি। মানুষের ভালোবাসার কারণে জিরো থেকে হিরো। চেহারা কোনও ফ্যাক্টর নয়। ভালোবাসার কারণে আজ আমি এতদূর আসতে পেরেছি। মানুষের যোগ্যতা সবচেয়ে বড় বিষয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন - রায়তা-হোস্ট সহযোগিতায় : SmartiTHost
smartit-ddnnewsbd