শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গুড়ায় ইউএনও’র ভাষা চর্চা ক্লাবে শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড়! ভাঙ্গুড়ায় গ্রাহকের সঞ্চয়ের টাকা নিয়ে উধাও এনজিও সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন স্কুলে ভর্তি অনিয়ম ! ভুগছেন শিক্ষার্থী-অভিভাবক! অধ্যক্ষকে শোকজ ডোনাল্ড লুর হাই প্রোফাইল সফর- অংশগ্রহণমূলক আগামী সংসদ নির্বাচন দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র দেশের উন্নয়নে দিশেহারা হয়ে বিএনপি আবোল তাবল বকছে,খালেদা জিয়ার কথায় দেশ চলবে এটা বিএনপির দু:স্বপ্ন – এমপি মকবুল ভাঙ্গুড়ায় তীব্র শীতে এক কৃষকের মৃত্যু আজ ১০০ মহাসড়ক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী প্রার্থিতা জমা নেয়ার পর হঠাৎ নির্বাচন বন্ধ করে দিলেন প্রধান শিক্ষক বিএনপির সংসদ সদস্যরা জমা দিলেন পদত্যাগপত্র ভাঙ্গুড়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ কোভিড-১৯ টিকা পুশ নিয়ে জটিলতা! অধিদপ্তরের মেয়াদ বৃদ্ধি

চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে  রোগীরা নিম্নমানের খাবার খাচ্ছেন!

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২০
  • ৩০৩ সময় দর্শন
চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি
পাবনার চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তিকৃত রোগীদের মাঝে নিম্নমানের খাবার দেওয়া হচ্ছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আগে যেখানে সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত অর্থে তিনবেলা খাবার দেওয়া হতো, একই বরাদ্দে এখন চারবেলা খাবার দেওয়া হচ্ছে।  উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার নির্দেশেই ঠিকাদার তিনবেলার পরিবর্তে এখন চারবেলা খাবার পরিবেশন করছে বলে জানা গেছে। একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ভর্তিকৃত রোগীদের প্রতিদিন সকালে খিচুরী ও
একটি ডিম দেওয়া হচ্ছে। আগে যেখানে কলা, ডিম ও রুটি দেওয়া হতো। সাত দিনের বিভিন্ন সময় দুপুর ও রাতের খাবারে দেওয়া হচ্ছে পাঙ্গাস মাছ, সিলভার কাপ মাছ ও ব্রয়লার মুরগি। যেখানে আগে দেওয়া হতো খাসির মাংস, মুরগীর মাংস ও সিলভারকাপ মাছ। এরইমধ্যে বিকেলে দেওয়া হচ্ছে সুজি ও কলা। প্রতিদিন একজন রোগীর জন্য ১২৫ টাকা বরাদ্দ। এই টাকা দিয়ে আগে তিনবেলা মোটামুটি মান সম্পন্ন খাবার দেওয়া হতো। একই টাকা ভাগ করে এখন চারবেলা খাবার দেওয়া হচ্ছে। ফলে খাবার মান কমেছে অনেকাংশে। বিশেষ করে সকালে খিচুরী এবং দুপুর ও রাতে পাঙ্গাস মাছ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নিম্ন মানের এই খাবার অনেক সময়ই রোগীরা খাচ্ছেন না। এ বিষয়ে ঠিকাদার রনি হোসেন জানান, আগে তিনবেলা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে
যে টাকায় খাবার দেওয়া হতো। এখন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে একই টাকায় চারবেলা খাবার দিতে হচ্ছে। নিম্নমানের খাবার আমরা দেই না। কর্তৃপক্ষ যেটা নির্ধারণ করে দিয়েছে, আমরা সেটাই দিচ্ছি। এটার দায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও আবাসিক মেডিকেল অফিসারের। ঠিকাদার কোন চিঠি পাননি বলে জানিয়েছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ওমর ফারুক বুলবুল চারবেলা
খাবার দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বললেন, নিম্নমানের খাবার দেওয়ার বিষয়ে আমি ঠিকাদারকে চিঠি দিয়েছি। বিষয়টি আমি দেখবো। কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী খাবার দেওয়া হচ্ছে কিনা ? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বললেন,হ্যাঁ। আমি রোগীদের সেবার মান বাড়ানোর চেষ্টা করছি। তবে তিনি বলেছেন, সিভিল সার্জন তিন বেলা খাবার দেওয়ার কথা বলে চিঠি দিয়েছেন। আমি বিষয়টি তাকে অবগত করাবো।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন - রায়তা-হোস্ট সহযোগিতায় : SmartiTHost
smartit-ddnnewsbd