রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৯:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গুড়ায় ইউএনও’র ভাষা চর্চা ক্লাবে শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড়! ভাঙ্গুড়ায় গ্রাহকের সঞ্চয়ের টাকা নিয়ে উধাও এনজিও সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন স্কুলে ভর্তি অনিয়ম ! ভুগছেন শিক্ষার্থী-অভিভাবক! অধ্যক্ষকে শোকজ ডোনাল্ড লুর হাই প্রোফাইল সফর- অংশগ্রহণমূলক আগামী সংসদ নির্বাচন দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র দেশের উন্নয়নে দিশেহারা হয়ে বিএনপি আবোল তাবল বকছে,খালেদা জিয়ার কথায় দেশ চলবে এটা বিএনপির দু:স্বপ্ন – এমপি মকবুল ভাঙ্গুড়ায় তীব্র শীতে এক কৃষকের মৃত্যু আজ ১০০ মহাসড়ক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী প্রার্থিতা জমা নেয়ার পর হঠাৎ নির্বাচন বন্ধ করে দিলেন প্রধান শিক্ষক বিএনপির সংসদ সদস্যরা জমা দিলেন পদত্যাগপত্র ভাঙ্গুড়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ কোভিড-১৯ টিকা পুশ নিয়ে জটিলতা! অধিদপ্তরের মেয়াদ বৃদ্ধি

ভাঙ্গুড়ায় বয়স্ক ভাতার কার্ড দেওয়ার কথা বলে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০
  • ৩০৭ সময় দর্শন

ভাঙ্গুড়া(পাবনা)প্রতিনিধি : পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খান-মরিচ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের সংরক্ষিত আসনের ইউপি সদস্য (মেম্বার) আলেয়া খাতুনের বিরুদ্ধে বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এর কাছে একটি  লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গোবিন্দপুর গ্রামের সংরক্ষিত ইউপি সদস্য আলেয়া খাতুন বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে একই গ্রামের বাসিন্দা হতদরিদ্র মোঃ ছায়দার হোসেনের কাছ থেকে তিন হাজার টাকা দাবী করেন। নিরুপায় হয়ে ছায়দার হোসেনের স্ত্রী ছালেহা খাতুন প্রতিবেশীর নিকট থেকে ধারদেনার মাধ্যমে ১৭০০ টাকা নিয়ে ইউপি সদস্য আলেয়াকে দেন।

ভুক্তভোগী ছায়দার হোসেন কান্না কণ্ঠে বলেন, মেম্বার আলেয়া বলেছে, বয়স্ক ভাতা কার্ড পাইতে ৩ হাজার টাকা খরচ লাগবে। আমরা গ্রামের মুখ্য সুখ্য মানুষ কিছুই বুঝি না। নিরুপায় হয়ে তাকে ১৭০০ টাকা দিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্ড পাইনি। এ কারণে ছায়দারের স্ত্রী ছালেহা খাতুন গত ২৩ জুলাই ইউএনও বরাবরে অভিযোগ দেন।

ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আছাদুর রহমান বলেন, বিষয়টি সমাজসেবা অফিসারের মাধ্যমে তিনি শুনেছেন। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে তিনি জানান।

ইউপি সদস্য আলেয়া খাতুন তার বিরুদ্ধে উথ্থাপিত অভিযোগ অস্বীকার করে  বলেন, বয়স্ক ভাতা কার্ড দেওয়ার নামে আমি কারও কাছ থেকে কোন টাকা নেইনি।

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন,ইউএনও মহোদয় বিষয়টি তদন্ত করে দেখতে ছালেহা খাতুনের অভিযোগ খানা আমাকে ফরওয়ার্ড করেছেন। তাই তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন - রায়তা-হোস্ট সহযোগিতায় : SmartiTHost
smartit-ddnnewsbd