সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩, ০৭:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গুড়ায় গ্রাহকের সঞ্চয়ের টাকা নিয়ে উধাও এনজিও সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন স্কুলে ভর্তি অনিয়ম ! ভুগছেন শিক্ষার্থী-অভিভাবক! অধ্যক্ষকে শোকজ ডোনাল্ড লুর হাই প্রোফাইল সফর- অংশগ্রহণমূলক আগামী সংসদ নির্বাচন দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র দেশের উন্নয়নে দিশেহারা হয়ে বিএনপি আবোল তাবল বকছে,খালেদা জিয়ার কথায় দেশ চলবে এটা বিএনপির দু:স্বপ্ন – এমপি মকবুল ভাঙ্গুড়ায় তীব্র শীতে এক কৃষকের মৃত্যু আজ ১০০ মহাসড়ক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী প্রার্থিতা জমা নেয়ার পর হঠাৎ নির্বাচন বন্ধ করে দিলেন প্রধান শিক্ষক বিএনপির সংসদ সদস্যরা জমা দিলেন পদত্যাগপত্র ভাঙ্গুড়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ কোভিড-১৯ টিকা পুশ নিয়ে জটিলতা! অধিদপ্তরের মেয়াদ বৃদ্ধি মন খারাপ করে বিশ্বকাপে রোনাল্ডো

নওগাঁয় পুরাতন ও বিভিন্ন চাল কেটে-ছেটে তৈরি হচ্ছে মিনিকেট

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৭ অক্টোবর, ২০২২
  • ২৯ সময় দর্শন

নওগাঁয় বড় বড় মিলাররা পুরাতন সুটিধরা আটাশ, উনত্রিশ ও জিরাশাইল চাল কেটে ছেটে মেশিনের মাধ্যমে পলিস করে মিনিকেট নামে বাজারে বেশি দামে বিক্রি করছে। বেশি লাভের জন্য বস্তার গায়ে মিনিকেট নামক আকর্ষনীয় লেভেল ব্যবহার করছেন তারা।

মিল মালিক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন; জেলার বড় বড় ব্যবসায়ীরা পুরাতন বিভিন্ন চাল কেটে চিকন করে নাম দিয়েছেন মিনিকেট। আর তাদের কারসাজির কারনে ঠকছেন ক্রেতারা।

জানা গেছে, উত্তরের খাদ্যভান্ডারের জেলা নওগাঁ। এই জেলায় উৎপাদিত ধান ও চালের সুনাম রয়েছে দেশজুড়ে। তবে মিনিকেট চাল নিয়ে রয়েছে নানা জল্পন-কল্পনা। এসব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটালেন ব্যবসায়ী নেতা ও মিল মালিকরা।

ক্রেতারা বলছেন; তারা প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন। কারন পুরাতন, নষ্ট ও অন্য জাতের চাল ছোট করে মিনিকেট নাম দিয়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। তাই তারা সরকারের নিকট দাবী করেছেন যে চাল যে বস্তায় থাকবে সেই বস্তায় সেই নাম ব্যবহার করতে হবে।

এ বিষয়ে নওগাঁর শেখ ফারিহা রাইস মিলের স্বত্বাধিকারী শেখ ফরিদ উদ্দিন বলেন, বহুদিন গুদামে পড়ে থাকা সুটিধরা পুরাতন ও বিভিন্ন জাতের মোটা চাল বড় বড় অসাধু মিলাররা মেশিনে ছোট করে কেটে মিনিকেট নাম দিয়ে বিক্রি করছে। এই মিনিকেট চাল নিয়ে মিলার ও ব্যবসায়ীদের মাঝে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

এদিকে নওগাঁ পৌর ক্ষুদ্র চাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক উত্তম সরকার বলেন, বড় বড় মিলাররা জিরাশাইল চাল কেটে ছেটে পলিসের পর চিকন করে বস্তায় ভরে। আর তার গায়ে স্পেশাল মিনিকেট লিখছেন। এতে করে ক্রেতার পাশাপাশি আমরা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ঠকছি। তাই যে চাল সেই বস্তার গায়ে চালের নাম লিখে বিক্রি করলে ক্রেতারা প্রতারিত হবে না। বাজারে বেশি বিক্রির উদ্দেশ্যেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা মিনিকেট নাম দিয়ে এ সিন্ডিকেট করছেন।

নওগাঁ জেলা চালকল মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন চকদার বলেন, জিরাশাইল চাল থেকেই মূলত মিনিকেট চাল তৈরি। জিরাশাইল চাল জায়গাভেদে বিভিন্ন নামে ব্যবহার হচ্ছে অর্থাৎ যেটা জিরাশাইল সেটাই মিনিকেট। তাই ধানের সঠিক নামকরন থেকে সঠিক চালের নামকরন করার দাবী এই ব্যবসায়ী নেতার।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন - রায়তা-হোস্ট সহযোগিতায় : SmartiTHost
smartit-ddnnewsbd