শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৬:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গুড়ায় ইউএনও’র ভাষা চর্চা ক্লাবে শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড়! ভাঙ্গুড়ায় গ্রাহকের সঞ্চয়ের টাকা নিয়ে উধাও এনজিও সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন স্কুলে ভর্তি অনিয়ম ! ভুগছেন শিক্ষার্থী-অভিভাবক! অধ্যক্ষকে শোকজ ডোনাল্ড লুর হাই প্রোফাইল সফর- অংশগ্রহণমূলক আগামী সংসদ নির্বাচন দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র দেশের উন্নয়নে দিশেহারা হয়ে বিএনপি আবোল তাবল বকছে,খালেদা জিয়ার কথায় দেশ চলবে এটা বিএনপির দু:স্বপ্ন – এমপি মকবুল ভাঙ্গুড়ায় তীব্র শীতে এক কৃষকের মৃত্যু আজ ১০০ মহাসড়ক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী প্রার্থিতা জমা নেয়ার পর হঠাৎ নির্বাচন বন্ধ করে দিলেন প্রধান শিক্ষক বিএনপির সংসদ সদস্যরা জমা দিলেন পদত্যাগপত্র ভাঙ্গুড়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ কোভিড-১৯ টিকা পুশ নিয়ে জটিলতা! অধিদপ্তরের মেয়াদ বৃদ্ধি

বন্ধ হচ্ছে ‘নরকের দরজা’!

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২২
  • ১৪৪ সময় দর্শন
বন্ধ হচ্ছে ‘নরকের দরজা’!

অনলাইন ডেস্ক

তুর্কমেনিস্তানে ‘নরকের দরজা’ নামে পরিচিত কারাকুম মরুভূমির গর্তের আগুন নেভানোর নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট গুরবাঙ্গুলি বেরদিমুখামেদভ। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা বিবিসি।

বিবিসি জানিয়েছে, দেশটির পরিবেশ ও স্বাস্থ্যগত কারণে গর্তের আগুন বন্ধ করতে চান প্রেসিডেন্ট গুরবাঙ্গুলি বেরদিমুখামেদভ। একইসঙ্গে সেখান থেকে গ্যাস রপ্তানির পরিকল্পনা রয়েছে তার। তাই প্রায় চার দশকেরও বেশি সময় ধরে জ্বলতে থাকা গর্তের আগুন নেভানোর জন্য একটি উপায় বের করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট।

গণমাধ্যমে প্রচারিত এক বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট গুরবাঙ্গুলি বেরদিমুখামেদভ বলেন, আমরা মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ হারাচ্ছি। যা দিয়ে আমার অনেক মুনাফা অর্জন করতাম এবং সেগুলো আমাদের জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা যেত।

১৯৭১ সাল থেকে কারাকুম মরুভূমির একটি গর্তে আগুন জ্বলছে। এই আগুন নেভাতে সরকারের পক্ষ থেকে কয়েকবার চেষ্টাও করা হয়েছিল। কিন্তু নেভানো সম্ভব হয়নি। তবে এবারও গর্তের আগুন নেভানোর নির্দেশ দিয়েছেন তুর্কমেনিস্তানের প্রেসিডেন্ট।

কারাকুম মরুভূমির দারভাজা গর্তের সৃষ্টি নিয়ে নানা রহস্য ছড়িয়ে আছে। অনেকে মনে করেন, ১৯৭১ সালে সোভিয়েত খননের সময় এটি সৃষ্টি হয়। তবে ২০১৩ সালে কানাডার অনুসন্ধানকারী জর্জ কৌরোনিস গর্তের গভীরতা পরীক্ষা করেন। তিনি আবিষ্কার করেন, প্রকৃতপক্ষে কেউ জানে না কীভাবে এই গর্ত সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে, স্থানীয় তুর্কমেন ভূতত্ত্ববিদদের মতে, ১৯৬০-এর দশকে কারাকুম মরুভূমিতে বড় আকারের এই গর্ত তৈরি হয়। আর আশির দশকে আগুন জ্বলতে শুরু করে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন - রায়তা-হোস্ট সহযোগিতায় : SmartiTHost
smartit-ddnnewsbd