শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গুড়ায় দুগ্ধজাত ক্ষুদ্র শিল্পের সফল উদ্যোক্তা কলেজ ছাত্র অপু ঘোষ ভাঙ্গুড়ায় নতুন ইউএনও’র যোগদান- জ্ঞানের নিষ্প্রভ বাতিঘর কি আবার আলোকিত হবে ? বুয়েটকে জঙ্গিবাদের আখড়া বানানো যাবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভাঙ্গুড়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে অনলাইন গরুর হাট ! মাসে কেনাবেচা ৬ কোটি টাকা ভাঙ্গুড়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে অনলাইন গরুর হাট ! মাসে কেনাবেচা ৬ কোটি টাকা ভাঙ্গুড়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে অনলাইন গরুর হাট ! মাসে কেনাবেচা ৬ কোটি টাকা ভাঙ্গুড়া প্রাণি সম্পদ অফিসের নানা জনপ্রিয় কর্মসুচী ! পাবনা জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক তৌফিক আর নেই ভাঙ্গুড়ায় গোদোহন সহজিকরণে বিনামুল্যে মিল্কিং মেশিন বিতরণ  ভাঙ্গুড়ায় প্রাথমিকে শিক্ষক সমন্বয় বদলি নেই! শ্রেনি বিন্যাসে দরকার বহুতল ভবন

প্রাথমিক শিক্ষকদের দৈনিক টিফিন ভাতা কি সাড়ে ৬ টাকাই থাকবে?

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২১
  • ২৫৫ সময় দর্শন
প্রাথমিক শিক্ষকদের দৈনিক টিফিন ভাতা কি সাড়ে ৬ টাকাই থাকবে?
 বাস্তবতা হচ্ছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা নানা ধরনের বঞ্চনা ও অবহেলার শিকার। এর মধ্যে শিক্ষকদের প্রদেয় টিফিন ভাতা অন্যতম। প্রাথমিকের শিক্ষকদের মাসিক টিফিন ভাতা বাবদ ২০০ টাকা দেওয়া হয়, যা গড়ে সাড়ে ৬ টাকার সামান্য বেশি, প্রায় ৬ টাকা ৬৬ পয়সা পড়ে। বর্তমান সময়ে এই যৎসামান্য টাকা দিয়ে এক কাপ চা-ও পাওয়া যায় না। প্রাথমিকের শিক্ষকদের স্কুলে যথাসময়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য হালকা নাশতা করে খুব সকাল সকাল বের হতে হয়। অনেকেই আবার নাশতা না করেই বের হয়ে পড়েন। সেই বিবেচনায় এ টিফিন ভাতা কি বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ?

প্রাথমিকের শিক্ষকদের ৭-৮ ঘণ্টা পর্যন্ত স্কুলে পাঠদান ও নানা কর্মকাণ্ড সারতে হয়। এত দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করা একজন শিক্ষকের জন্য যেমন কষ্টকর, তেমনি ক্লাসে মনোযোগী হওয়াটাও অসম্ভব হয়ে পড়ে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশে শিক্ষকদের টিফিন ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা আমাদের দেশের তুলনায় অনেক বেশি। সেদিক দিয়ে আমরা অনেক পিছিয়ে।

আমাদের দেশে সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক, বিমাসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোতে দুপুরের খাওয়ার ভাতা হিসেবে পর্যাপ্ত টাকা দেওয়া হয়, অনেক অফিসে খাবারের জন্য ভর্তুকিও দেওয়া হয়। সে তুলনায় প্রাথমিকের শিক্ষকেরা শুধু বঞ্চিতই না, রীতিমতো বৈষম্যের শিকার।

প্রাথমিকের শিক্ষকদের টিফিন ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনেক মেধাবী নিয়োগ পাচ্ছেন। বিষয়টিকে আরও বেশি উৎসাহিত করা উচিত। শিক্ষকদের হাতেই রয়েছে একটি শিক্ষিত, দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জাতি গড়ে তোলার ক্ষমতা। আশা করি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের টিফিন ভাতা বাড়ানোর প্রতি সুনজর দেবে।

মো. আশরাফুল ইসলাম

শাহবাগ, তাড়াইল, কিশোরগঞ্জ

সূত্রঃ প্রথম আলো

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন - রায়তা-হোস্ট সহযোগিতায় : SmartiTHost
smartit-ddnnewsbd