বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সর্বজনীন পেনশন স্কিম- ভাঙ্গুড়ায় ৪ মাসে একাউন্ট ওপেন হয়েছে মাত্র ১৪২ ভাঙ্গুড়ায় প্রাণি সম্পদ বিভাগের জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সমাপনী ঘটলো সেবা সপ্তাহের ভাঙ্গুড়ায় ৭ দিন ব্যাপি বই মেলা জমে উঠেছে উপজেলায় এমপি মন্ত্রীর সন্তান-স্বজনরা প্রার্থী হলে ব্যবস্থা উপজেলা নির্বাচনে মন্ত্রী–সংসদ সদস্যদের হস্তক্ষেপ বন্ধে কঠোর নির্দেশনা : ওবায়দুল কাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অবিস্মরণীয় দিন ১৮ এপ্রিল। হোসেন আলী ভারতে স্বাধীন বাংলার পতাকা উড়ান আজ ভাঙ্গুড়ায় দুগ্ধজাত ক্ষুদ্র শিল্পের সফল উদ্যোক্তা কলেজ ছাত্র অপু ঘোষ ভাঙ্গুড়ায় নতুন ইউএনও’র যোগদান- জ্ঞানের নিষ্প্রভ বাতিঘর কি আবার আলোকিত হবে ? বুয়েটকে জঙ্গিবাদের আখড়া বানানো যাবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভাঙ্গুড়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে অনলাইন গরুর হাট ! মাসে কেনাবেচা ৬ কোটি টাকা

সরকারিকৃত কলেজের নন-এমপিও শিক্ষকদের বেতন প্রদানের নির্দেশ:দীর্ঘদিন সম্মানি বন্ধের সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক!

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৯ জুন, ২০২১
  • ৪৯৭ সময় দর্শন

ষ্টাফ রিপোর্টার :
দেশের সরকারিকৃত কলেজগুলোর নন-এমপিও শিক্ষকদের দীর্ঘদিন বেতন বন্ধ রাখার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের ৬ মাসের বেতন প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে। উপসচিব মো: মঈনুল হাসান স্বাক্ষরিত (০৯/০৬/২০২১) এই আদেশে বলা হয়েছে করোনার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় টিউশন ফি আদায় করা যাচ্ছেনা। এ অবস্থায় শিক্ষকদের আর্থিক সংকট দূরীকরণে ছয় মাসের বেতন দিতে বলা হয়েছে। এ আদেশ থেকে পরিস্কার হয় যে,আর্থিক সামর্থ থাকা কলেজের নন-এমপিও শিক্ষকদের বেতন বন্ধ রাখার পেছনে কোনো যৌক্তিকতা নেই। বরং বেতন বন্ধ রাখা অযৌক্তিক প্রমাণিত হয়েছে।

নন-এমপিও শিক্ষকরা জানান,অধ্যক্ষরা দীর্ঘদিন বেতন না দেওয়ায় তারা পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। সরকারিকৃত কলেজের এসব শিক্ষকদের বেতন বন্ধের কোনো নির্দেশ সরকার না দিলেও অধ্যক্ষরা তাদের বেতন/সম্মানি বন্ধ করে দেন। ফলে শিক্ষকরা মারাত্মক অর্থ সংকটে পড়েন। অবশেষে শিক্ষকরা মাউশির ডিজি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন। এর প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় ২০২০ সালের জুন হতে নভেম্বর পর্যন্ত ছয় মানের মুল বেতন প্রদানের নির্দেশনা প্রদান করে।

শিক্ষকরা জানান, তারা প্রায় তিন বছর ধরে কলেজ থেকে কোনো বেতন পাননা। যেহেতু সরকারি পরিপত্রে এসব কলেজের অধ্যক্ষ ও সংশ্লিষ্ট উপজেলার ইউএনও’র যৌথ স্বাক্ষরে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনার নির্দেশ রয়েছে সেজন্য বেতনের জন্য তারা ওই দু’জনের কাছে মাসের পর মাস ধর্না দিয়েছেন। অথচ তারা শিক্ষকদের আবেদন-নিবেদনে কোনো সাড়া দেননি।

এছাড়া এ আদেশে আরো পরিস্কার হয়েছে যে, যতদিন টিউশন মানি আদায় হয়েছে ততদিন শিক্ষকদের বেতন বন্ধের সিদ্ধান্ত সঠিক হয়নি। তাই তারা দাবি করেন যে,যেসব কলেজ তহবিলে অর্থ সংকট নেই সেখানে বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হোক এবং বর্তমানেও এই ধারা অব্যাহত রাখা হোক। তদনুসারে আত্তীকরণ শেষে পরিশোধিত অর্থ সমন্বয় করা হোক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন - রায়তা-হোস্ট সহযোগিতায় : SmartiTHost
smartit-ddnnewsbd