বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন

মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে ভাঙ্গুড়ায় আকন্দ পরিবারের সাংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
  • ১০৭১ সময় দর্শন

পাবনার ভাঙ্গুড়া পৌরসভার শরৎনগর বাজারের আকন্দ পরিবারের পক্ষে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ মোঃ আব্দুল লতিফ আকন্দ তার এবং তার ভাইদের বিরুদ্ধে একটি অন-লাইন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে আজ মঙ্গলবার ভাঙ্গুড়া প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন,গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সোমবার ‘‘বিডি কারেন্ট নিউজ টুয়েন্টি ফোর ডট কম” অনলাইন পত্রিকায় “এতিমদের সম্পদ আত্মসাতের চেষ্টায় সৎ চাচারা” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা,মনগড়া,বানোযাট ও পক্ষপাতদূষ্ট। আমি এই সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

প্রকৃত সত্য হলো- যাদের পক্ষে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে তারা আমার মৃত ভাই শহিদুল ইসলাম আকন্দের মেয়ে। আর যে সম্পত্তি সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে। তা আমার পিতা মরহুম হাজী রিয়াজ উদ্দিন আকন্দ এর নামীয় সম্পত্তি। যাহার খতিয়ান নং ৬৫৩ এবং দাগ নং ২০৯৪, ২০৯৫, ২১২৮ তিন দাগে মোট জমির পরিমান ১৮.৪৯ শতাংশ। গত ০৪/০১/১৯৯৪ খ্রি: তারিখে ৩৭ নং সাফ হেবানামাপত্র দলিল মূলে মোঃ আঃ লতিফ আকন্দের নামে .০৩২৫ একর, ০৪/০১/১৯৯৪ ইং তারিখে ৩৯ নং হেবাবিল এওয়াজ মূলে মোঃ শহিদুল ইসলাম, মোঃ মাসুদ আলী ও মোঃ সেরাজুল ইসলাম বরাবর ১৫.৫ শতক সম্পত্তি হস্তান্তর করেন।

কিন্তু দুঃখের বিষয় উক্ত দলিল সমূহে তিনটি দাগ উল্লেখ থাকলেও ওই সব দাগে কার কতটুকু অংশ তার উল্লেখ নাই। অর্থ্যাৎ ৩৭ নং দলিলে ০৩ (তিন) দাগে সোয়া তিন শতক এবং ৩৯ নং দলিলে ০৩ (তিন) দাগে সাড়ে পনের শতক সম্পত্তি উল্লেখ আছে। বর্তমানে শাপলা দিং পিতা মৃত শহিদুল ইসলাম আকন্দ উক্ত ভূমিতে নতুন ভবন নির্মাণ করতে চাইলে মোঃ মাসুদ আলী,মোঃ সেরাজুল ইসলাম শাপলা গংদের সম্পত্তির সঠিক বন্টন করে ইমারত নির্মাণের করতে বলেন। বিষয়টি নিস্পতির লক্ষ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান,পৌরসভার মেয়র সকল পক্ষের আত্মীয় স্বজন, রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ ও এলাকার প্রধানবর্গ সার্ভেয়ার দ্বারা জরিপ করে সকল দাগে সকলের অংশ বর্তমান সে ভাবে বাটোয়ারা এবং পরবর্তীতে সোলেনামা বন্টন করে নিতে বলেন। সেই সঙ্গে তাৎক্ষনিক আপোষ-মীমাংশার(ঘরোয়া বাটোয়ারা) লিখিত ফর্দে সকল পক্ষ স্বাক্ষর করেন। অতপর সেখানে ইমারত নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে শাপলা গংরা ওই ঘরোয়া বাটোয়ারা অমান্য করে তাদের ইচ্ছা মত পাকা ইমারত নির্মাণ করে ২৪ হাজার টাকায় ভাড়া প্রদান করেন। গত ১৪/১২/২০২০ তারিখে পাবনার বিজ্ঞ সহকারি জজ আদালত আব্দুল লতিফ ও মাসুদ আলী গংদের বিবাদী করে মামলাও রুজু করেন। যাহার ধার্য্য ছিল গত ০৮/০২/২০২১ ইং তারিখে। এমতাবস্থায় এলাকার প্রধানবর্গ বিষয়টি সমাধানের জন্য চেষ্টা করেন কিন্তু তাতে শাপলা,শম্পা দিং মীমাংসায় অসম্মতি জ্ঞাপন করেন এবং আব্দুল লতিফ এবং বিবাদী মাসুদ রানা ও সেরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। এছাড়া তারা আমাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ভাবে আরো মামলা দায়েরের হুমকী প্রদর্শণসহ নানা ভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে হয়রানি করছেন।

আব্দুল লতিফ আকন্দ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন,আমার দুই ভাই (মাসুদ,মামুন) ও ভাগ্নে খাইরুল ইসলাম উচ্চ শিক্ষিত এবং তারা সুপ্রতিষ্ঠি কোম্পানিতে চাকরি ও ব্যবসার সাথে জড়িত। নাম স্বর্বস্ব ওই অনলাইন নিউজ পোর্টালে সম্পুর্ণ অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে এবং আমিসহ আমার দু‘ভাই ও ভাগ্নেকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য ষড়যন্তমুলক ভাবে কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন তথ্য উপস্থাপন করে মিথ্য সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে। এতে আমাদের কয়েক কোটি টাকার সম্মান নষ্ট হয়েছে। সেই সঙ্গে সঠিক সংবাদটি সাংবাদিকদের মিডিয়ায় প্রকাশের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন - রায়তা-হোস্ট সহযোগিতায় : SmartiTHost
smartit-ddnnewsbd