রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সভাপতি এমদাদুল হক, সম্পাদক জামিল আহমেদ ; গুরুদাসপুরে নর্থ বেঙ্গল কিন্ডারগার্টেন এন্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুল সোসাইটির কমিটি গঠন সন্ধার পরে হারিকেন আর চোখে পড়েনা মোদের পাশে আছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নওগাঁয় স্কুল ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে কলেজ ছাত্র আটক দেশে করোনা রোগী শনাক্তে নমুনা পরীক্ষা ৪০ লাখ ছাড়িয়েছে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আদালতের উপর চাপ কমাবে বেকার মানুষের ভির ব্রিটেনে, বন্ধ ছোট-মাঝারি বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান টিকা নেয়ার পর করোনা আক্রান্ত ত্রাণ সচিব বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ এর ৮৫তম জন্মবার্ষিকী আজ চাটমোহরে আবারো প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর দেওয়ার আশ্বাসে ২০ হাজার টাকা নেয়ার অভিযোগ সেই ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

অভিজিৎ হত্যার রায়ের অপেক্ষা

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
  • ২০ সময় দর্শন

অনলাইন ডেস্ক: লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার রায় মঙ্গলবার ঘোষণা করা হবে। ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান গত ৪ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের এ দিন ধার্য করেন। আদালত সূত্র জানায়, মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় মামলাটি রায়ের জন্য আদালতের কার্যতালিকায় রয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গোলাম ছারোয়ার খান জাকির সাংবাদিকদের বলেছেন, এই মামলায় তিন আসামি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা কীভাবে হত্যা করেছেন, তার সব বর্ণনা জবানবন্দিতে আছে। অন্যান্য সাক্ষী ও আসামির জবানবন্দি সব মিলিয়ে এই আসামিরা যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন তা আমরা আদালতের সামনে তুলে ধরেছি। আসামিরা সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড পাবেন বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী নজরুল ইসলাম বলেন, আসামিদের সাজা দেওয়ার মতো কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আমরা আসামিদের খালাস দাবি করেছি।

এ মামলার মামলার আসামিরা হলেন- বরখাস্ত মেজর সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে জিয়া, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন (সাংগঠনিক নাম শাহরিয়ার), আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ, আকরাম হোসেন ওরফে আবির, আরাফাত রহমান ও শফিউর রহমান ফারাবি। মেজর জিয়া এবং আকরাম হোসেন পলাতক। অপর চার আসামি কারাগারে আছেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ৩৪ সাক্ষীর মধ্যে ২৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। গত বছরের ১৩ মার্চ আদালতে ছয় আসামির বিরুদ্ধে মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এরপর একই বছরের ১ আগস্ট ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন আদালত।

২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে অমর একুশে গ্রন্থমেলা থেকে ফেরার পথে রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় টিএসসির সামনে অভিজিৎ ও তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যার ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান অভিজিৎ। ওই ঘটনায় অভিজিতের বাবা অধ্যাপক অজয় রায় পরদিন শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২০© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন - রায়তা-হোস্ট সহযোগিতায় : SmartiTHost
smartit-ddnnewsbd